Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বছরে ২২ লক্ষ্য আয়, শিবপুরের লড়াইয়ে নামার আগে সামনে রুদ্রনীলের সম্পত্তির খতিয়ানভোটের মধ্যেই ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে কী বললেন স্মৃতি ইরানি অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলা

রাজনীতির অ-আ জানে না, সেই এখন তৃণমূলের নেতা: ইস্তফা দিয়ে কাকে বিঁধলেন দীনেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের ‘বর্তমান ব্যবস্থায়’ খাপ খাওয়াতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। তিনি খোলাখুলিই বলছেন, ‘ভাইপোকে নেতা মানতে বলেছিলেন মাননীয়া। সেটা আমি পারব না।’ আজ, শুক্রবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

রাজনীতির অ-আ জানে না, সেই এখন তৃণমূলের নেতা: ইস্তফা দিয়ে কাকে বিঁধলেন দীনেশ

শেষ আপডেট: 12 February 2021 11:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের ‘বর্তমান ব্যবস্থায়’ খাপ খাওয়াতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। তিনি খোলাখুলিই বলছেন, ‘ভাইপোকে নেতা মানতে বলেছিলেন মাননীয়া। সেটা আমি পারব না।’ আজ, শুক্রবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। তার পর ইঙ্গিতপূর্ণ বিরোধের স্বর তাঁর গলাতেও। রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে দীনেশ বলেছিলেন, "তৃণমূলে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।" পরে বাইরে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে মনের ক্ষোভ উজাড় করে দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর কথায়, রাজনীতির যাঁরা অ-আ-ক-খ জানে না। তাঁরাই এখন তৃণমূলের নেতা। তাঁর কথায়, "তৃণমূল আর শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল নেই। তা কর্পোরেট পেশাদারদের ব্যবস্থাপনায় চলে গিয়েছে। কারও কাছেই কথা বলার সময় নেই।" একটা সময় ছিল যখন তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদীর ভূমিকা ছিল অনন্য। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোক বলতে অনেকে তাঁকেই চিনতেন। সর্বভারতীয় স্তরে তৃণমূলের নির্ধারণে বড় ভূমিকা ছিল দীনেশের। পর্যবেক্ষকদের অনেকের কথায়, মুকুল রায় তৃণমূলের অঘোষিত নম্বর টু হয়ে ওঠার আগে দীনেশই ছিলেন দিদির ম্যান ফ্রাই ডে। প্রশ্ন হল, দীনেশ ত্রিবেদীর অসন্তোষও কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে? এর জবাব দীনেশ পরিষ্কার করে দেননি। শুভেন্দু যেমন বলেছেন, যে কোনও দিন ছাত্র রাজনীতি করেননি, যুব রাজনীতি করেনি, সে এগারো সালের পর হঠাৎই দিল্লি থেকে সোনার চামচ নিয়ে বড় পদ নিয়ে বসে পড়ল! সে তর্কের পাশাপাশি আরও একটি বিষয় রয়েছে। অনেকেরই ধারণা হল, প্রশান্ত কিশোর তথা পেশাদার সংস্থার পরামর্শে চলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দলে অনেকেই গুরুত্বহীন ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছেন। ১৯৯০ সালে জনতা দলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০২১ সালেও তিনি রাজ্যসভার সাংসদ। খেদের সঙ্গে তিনি এদিন বলেছেন, কোনও কাজ নেই তো। অন্যায়ও আর দেখতে পাচ্ছি না। তাই ছেড়ে দিলাম। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি বিজেপিতে যাচ্ছেন? জবাবে প্রাক্তন রেলমন্ত্রী বলেন, আপাতত নিজের সঙ্গেই থাকব।

```