
শেষ আপডেট: 17 June 2023 05:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: কপাল বোধহয় একেই বলে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে দাঁড়িয়ে বন্দুক বের করে তিনবার ট্রিগারে চাপ। কিন্তু তিনবারই ফস্কে গেল। একটা গুলিও বেরোল না। আর বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়ে গোবরডাঙার তৃণমূল নেতা আবদুল রউফ মণ্ডল বলছেন, ‘সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা!’
ঘটনা কী?
রউফের বক্তব্য, শুক্রবার রাতে ঝনঝনিয়া বাজার এলাকার একটি চায়ের দোকানে রাত ১১টা পর্যন্ত তিনি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তারপর ১১টা ২০ নাগাদ তিনি বাড়িতে আসেন। অভিযোগ, যখন তিনি বাড়ির সদর দরজায় তালা লাগাচ্ছেন তখন একটি স্কুটি করে দু’জন এসে তাঁর নাম ধরে ডাকে।
রউফের দাবি, তিনি এগিয়ে যান। স্কুটির পিছনে যে বসে ছিল সে নেমে এসে বদুক তাক করে। তারপর তিন বার ট্রিগারে চাপ দেয়। কিন্তু গুলি বেরোয়নি। রউফ সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেছেন, চতুর্থবার যখন ফের ট্রিগারে চাপ দিতে যায় তখনই তিনি ধরে ফেলেন। তারপরই ওই দু’জন স্কুটি ফেলে পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে গোবরডাঙা থানার পুলিশ আসে। স্কুটিটি থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। রউফের দাবি, হেলমেট পরা থাকলেও তিনি দু’জনকে চিনতে পেরেছেন। অভিযোগ, একজনের নাম আরাবুল মণ্ডল, অন্যজন জসিম মণ্ডল। দু’জনেই সিপিএমের লোক বলে দাবি তৃণমূলের। সিপিএম যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোটা ঘটনায় গোবরডাঙার ঝনঝনিয়া এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের গাইঘাটা দক্ষিণ ব্লক সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে। তাঁর দাবি, সিপিএম নতুন করে এলাকায় সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে।
পাল্টা সিপিএমের হাবড়া-১ ও গোবরডাঙ্গার এরিয়া কমিটির সম্পাদিকা স্বপ্না ঘোষ বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত আরাবুল মণ্ডল তাঁদের দলের সঙ্গে যুক্ত নয়।
বিজেপি-সিপিএম প্রার্থীই পেল না, বগটুইয়ের একটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল তৃণমূল