বাংলায় আজ ২ হাজারের বেশি কোভিড পজিটিভ, উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্ত
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখন যে স্তরে পৌঁছে গিয়েছে, তাতে প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কথা। শনিবারও তাই হয়েছে। গতকালের তুলনায় কোভিড পজিটিভ এ দিন এক লাফে বেড়ে গিয়ে নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলায় ২১৯৮ জ
শেষ আপডেট: 17 July 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখন যে স্তরে পৌঁছে গিয়েছে, তাতে প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কথা। শনিবারও তাই হয়েছে। গতকালের তুলনায় কোভিড পজিটিভ এ দিন এক লাফে বেড়ে গিয়ে নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলায় ২১৯৮ জনের শরীরে কোভিড পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের।
রাজ্যে এ দিন কোভিড টেস্টও হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক। ১৩,৪৬৫ জনের টেস্ট হয়েছে এ দিন। যদিও বিশেষজ্ঞদের অনেকের বক্তব্য, বাংলায় প্রতিদিন টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। তা ছাড়া ১৩,৪৬৫ জনের সবই নতুন কেস নাকি ইতিমধ্যে কোভিড আক্রান্তদের দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার টেস্টের হিসাবও এর মধ্যে ধরা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
শনিবার সব থেকে বেশি পজিটিভ কেস পাওয়া গিয়েছে কলকাতা থেকে। মহানগরীতে ৬৪৮ জনের কোভিড টেস্ট করে পজিটিভ রেজাল্ট মিলেছে। একই সঙ্গে উদ্বেগ বাড়ছে উত্তর চব্বিশ পরগনা নিয়ে। গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে ৫৫৪ জনের শরীরে কোভিড পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য দু’দিন আগে কলকাতাবাসীকে সাহস যুগিয়ে বলেছিলেন, কলকাতায় সব থেকে বেশি সংখ্যক পজিটিভ কেস পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে এরা সকলেই কলকাতার বাসিন্দা। বাইরের জেলা থেকে এসে কলকাতায় যাঁরা টেস্ট করাচ্ছেন, সেই সংখ্যাও এই হিসাবের মধ্যে ধরা রয়েছে।
তবে রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা শনিবারও বলেছেন, বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাঁর কথায়, প্যানিক করার দরকার নেই। পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। করোনা যে গতিতে এগোচ্ছে তার থেকেও বেশি গতিতে রাজ্য সরকার সমস্ত চিকিৎসা বন্দোবস্ত করছে।
মুখ্য সচিব মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ঠিকই। কিন্তু এঁদের মধ্যে সিংহভাগেরই শরীরে উপসর্গ নেই বা মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ১৪ হাজার ৭০৯ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ সক্রিয় (অ্যাকটিভ কেস) রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ হাজার ৫০০ জন (৭০ শতাংশ) মতো উপসর্গহীন। তাঁরা রয়েছেন বাড়িতে বা সেফ হোমে। সেই সঙ্গে দু’হাজার ২০০ জনের শরীরে মৃদু উপসর্গ রয়েছে। মাত্র ৬৬০ জনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর।