
শেষ আপডেট: 5 June 2023 14:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে তার অভিযোগ নতুন নয়। এই নিয়ে একাধিক মামলা চলছে হাইকোর্টে। সোমবার তেমনই এক মামলায় ২০ জন শিক্ষককে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়। এমনকী প্রশ্নের মুখে পড়ল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
২০১৬ সালে এসএলএসটি-তে ভৌত বিজ্ঞান, বাংলা ,ভূগোল, ইংরেজি, এডুকেশন সহ একাধিক বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। ২০১৮ সালে শুরু হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া। এই নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। স্বাগতা বিশ্বাস ,বিশ্বজিৎ দেবনাথ, মৌসুমী মণ্ডল সহ ১২ জন অভিযোগ করেন, তাঁদের থেকে কম নম্বর পেয়ে, মেধাতালিকার নীচের দিকে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পেয়েছেন!
তাঁদের আরও অভিযোগ, যাঁরা চাকরি পেয়েছেন তাঁদের অনেকের থেকে নম্বর বেশি থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরা। এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা দফতরকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। অগত্যা তাঁরা হাইকোর্টে মামলা করেন।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুনানিতে বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়, স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এ বিষয়ে আদালতে তাদের অবস্থান জানাতে বলা হয়। সোমবার এই মামলার শুনানিতে মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী জানান, 'একজন প্রার্থী যাঁর মোট প্রাপ্ত নম্বর ৭০, কিন্তু তিনি চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অথচ ৬৭.৩৩ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় নীচের দিকে থাকা সত্ত্বেও অন্য একজন বর্তমানে চাকরি করছেন।'
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায় নির্দেশ দেন, যাঁদের নাম নীচের দিকে এবং প্রাপ্ত নম্বর মামলাকারীদের থেকেও কম অথচ শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন তাঁদের এই মামলায় যুক্ত করতে হবে। শুধু তাই নয়, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেরকম ২০ জনকে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি।
আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাঁদের হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে কীভাবে কোন প্রক্রিয়ায় কম নম্বর পেয়েও চাকরি করছেন তাঁরা? মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৮ জুলাই।
করমণ্ডল দুর্ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর, কুণাল বললেন, শিগগির পাগলাগারদে যাবে