
শেষ আপডেট: 21 November 2022 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রশ্নে যখন রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে অখিল গিরির ইস্তফার দাবিতে অনড় বিজেপি, তখন পাল্টা চাপ তৈরি করলও তৃণমূলও (BJP and TMC)। জোড়াফুলের দাবি, কেন্দ্রের দুই প্রতি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার কী আছে! নিশীথ প্রামাণিক ও জন বার্লাকে (Opponent Leaders) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা হোক।
সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে অখিলের ইস্তফার দাবি নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব আনে বিজেপি। সেই প্রস্তাব খারিজ হয়ে গেলে তাঁরা বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। পরে ওয়াই চ্যানেল পর্যন্ত মিছিল করে গিয়ে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা।
পরিস্থিতি যখন এমনই তখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও প্রতি মন্ত্রী জন বার্লার ইস্তফা দাবি করে সোশাল মিডিয়ায় টুইট করতে শুরু করেন তৃণমূল নেতারা। নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে দুটি সোনার দোকানে চুরির মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলা দুটিই হয়েছিল বাম জমানায়। তৃণমূলের বক্তব্য, এরকম একজন অপরাধীকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো উচিত।
বিষয়টা এখানেই হয়তো থেমে থাকবে না। সংসদের শীতকালীন অধিবেশন আসন্ন। রাজ্য বিধানসভায় বিজেপি অখিল-প্রশ্নে অচলাবস্থা তৈরি করলে, লোকসভায় নিশীথ-বার্লার ইস্তফার দাবিতে সরব হতে পারে তৃণমূলও।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, সার্বিক রাজনৈতিক ছবিটা একেবারেই জটিল নয়। অখিল প্রশ্নে বিজেপি উত্তরোত্তর চাপ তৈরি করতে চাইছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনজাতি ভোট ব্যাঙ্ককে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য। আবার তৃণমূলও দেখাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বের স্থানে কারা রয়েছে। এমন লোককে মন্ত্রী করা হয়েছে যাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে।
বাস্তব হল, বিজেপি বা তৃণমূল দুই দলই এ ধরনের চাপের কাছে কখনও হার মানেনি। অতীতে দেখা গিয়েছে, বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে ললিত মোদীকে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল। কিন্তু কংগ্রেস সংসদ অচল করে রাখলেও বিজেপি এঁদের কাউকেই নৈতিক দায় নিয়ে ইস্তফা দিতে বলেনি।
খুন করে দেহ টুকরো করাই কি নয়া 'ট্রেন্ড'! দিল্লির পরেই উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এমনকি বাংলাও