দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : রাজমিস্ত্রীর কাজ করতে গিয়েছিলেন বর্ধমানের যুবক। বদলে জুটেছে মরুভূমিতে ভেড়া চরানোর কাজ। কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁর পাসপোর্ট ভিসাও। ফলে সৌদি আরব থেকে এই মুহূর্তে ফেরারও উপায় নেই খেতুর গ্রামের যুবক মহিরুদ্দিন শেখের।
স্বামীকে দেশে ফেরাতে মরিয়া হয়ে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন মহিরুদ্দিনের স্ত্রী জাহানারা বেগম। গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও শঙ্খ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওই পরিবারটি অভিযোগ করেছে। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মহিরুদ্দিন শেখকে দেশে ফেরানোর ব্যাপারে সচেষ্ট হবে প্রশাসন।"
জাহানারা বেগমের অভিযোগ, কাজের নামে প্রতারণা করে তাঁর স্বামীকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "সৌদি আরবে খুবই বিপদের মধ্যে আছেন আমার স্বামী । দেশে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে গেছেন। কিন্তু ফিরতে পারছেন না। পাসপোর্ট সহ ওর সব কিছু ওখানকার দালাল কেড়ে নিয়েছে।"
জাহানারা জানান, এলাকার বাসিন্দা চাঁদ শেখের মাধ্যমে দালালকে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে ১৮ জুন সৌদি আরব রওনা দিয়েছিলেন মহিরুদ্দিন। সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই কাজ না দিয়ে তাঁকে মরুভূমিতে ভেড়া চরানোর কাজ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে চলছে নির্যাতন। প্রাণ বাঁচাতে দু’দিন আগে সেখান থেকে পালিয়ে গোপন ডেরাতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
কী ভাবে ঘরে ফিরবেন মহিরুদ্দিন, সেই চিন্তায় ঘুম গিয়েছে গোটা পরিবারের।