দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি : মালিকপক্ষের অনুপস্থিতিতেই বৈঠক শুরু হলেও চা শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি নিয়ে সমাধান অধরাই থাকল। বৈঠকে ছিলেন না শ্রমমন্ত্রী ও শ্রম কমিশনারও। সরকারের প্রতিনিধি বলতে জয়েন্ট লেবার কমিশনার। তাই আলোচনা ফলপ্রসু হবে না বলে ধরেই নিয়েছিলেন শ্রমিক সংগঠনগুলির জয়েন্ট ফোরাম। ন্যুনতম মজুরি নিয়ে গতকালের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর আজ ফের বিকেল চারটের সময় নির্ধারিত হয় বৈঠক। কিন্তু যোগ দেননি মালিক পক্ষ। সকাল থেকে কোথায় বসা হবে তা নিয়েও চলছিল টানাপড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও চারবার স্থান বদল হয়। পরে শিলিগুড়িতে একটি বেসরকারি ভবনে বৈঠক হয়।
দীর্ঘদিন ধরেই দফায় দফায় বৈঠক করেও ন্যুনতম মজুরির বিষয়ে কোনও রফাসূত্রে পৌঁছতে পারেনি সরকার। সোমবার উত্তরকন্যার বৈঠকে সরকারের তরফ থেকে দৈনিক ১৭২ টাকা মজুরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা তখন কোন খাতে কত তা জানতে চান। এই নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সরকারের প্রতিনিধিরা বৈঠক ছেড়ে চলে যান। ফলে আবারও ভেস্তে যায় বৈঠক।
https://www.youtube.com/watch?v=xjE-kqYkAz8
এরপরেই মঙ্গলবার থেকে চা বাগানগুলিতে তিনদিনের ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক পক্ষ। একই সঙ্গে উত্তরকন্যা ঘেরাও কর্মসূচিরও ডাক দেওয়া হয়। তারপরেই আজ ফের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডাকে শ্রম দফতর। কিন্তু এ দিনের বৈঠকও ভেস্তে যাওয়ায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকল জয়েন্ট ফোরাম। এ দিন সকাল থেকে বেশ কিছু বাগানে কাজ হলেও বেলা বাড়তেই দলে দলে শ্রমিক মিছিল করে উত্তরকন্যার দিকে আসতে শুরু করেন। বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের পথ আটকায় পুলিশ।