
শেষ আপডেট: 10 April 2023 11:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: প্রচন্ড গরমে হাসপাতালের মেঝেতে সদ্যোজাতদের কোলে নিয়ে বসে আছেন মায়েরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও পাচ্ছেন না মাতৃযান (Ambulance Service)। এমনই দুর্দশার চিত্র দেখা গেল কাটোয়া (Katwa) হাসপাতালে। এই ঘটনা সামনে আসতেই সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড়িয়ে থাকলেও ২৫জন প্রসূতিকে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। প্রায় পঁয়েত্রিশ কিলোমিটার দূরে কারুলিয়া গ্রামে বাড়ি অর্পণা প্রধানের। বাচ্চাকে কোলে নিয়ে তাঁকেও অ্যাম্বুল্যান্সের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তিনি জানান, গাড়ি ভাড়া করার টাকা নেই। তাই সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সই তাঁদের ভরসা। একই অবস্থা ভুসুম্ব গ্রামের মিস্টু দাসীর। তাঁর মেয়ের সন্তান হয়েছে। মেয়ে ও সদ্যোজাতকে ২০ কিলোমিটার দূরে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স আসার অপেক্ষায় ছিলেন।
হাসপাতাল চত্বরে যখন এমন অব্যবস্থা, তখন অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার সুপারভাইজারকে পাওয়া গেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপারের ঘরে। মাতৃযান পরিষেবার নিয়ে আগেই একটি লিখিত নালিশ এসে পৌঁছেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। প্রসূতিদের অবস্থার কথাও অজানা ছিল না। তাই পরিষেবা নিয়ে কৈফিয়ত চাইতে সুপারভাইজারকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত সুপার। তাঁর ধমক খেয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন ওই সুপারভাইজার। যদিও পরিষেবার গাফিলতি নিয়ে কোনও কথা বলতে চাননি তিনি।
স্বাস্থ্যদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী তোলা নিয়ে মাতৃযান চালকদের সঙ্গে রোগীর পরিবারের সঙ্গে ঝামেলায় আচমকাই ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে চারটে মাতৃযান রয়েছে। কয়েকমাস ধরেই অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে বেশি টাকা দিয়ে রোগীদের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে হচ্ছে।
অমৃতপাল-ঘনিষ্ঠ পাপালপ্রীত সিং গ্রেফতার! বড় সাফল্য পাঞ্জাব পুলিশের