Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বছরে ২২ লক্ষ্য আয়, শিবপুরের লড়াইয়ে নামার আগে সামনে রুদ্রনীলের সম্পত্তির খতিয়ানভোটের মধ্যেই ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে কী বললেন স্মৃতি ইরানি অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলা

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ২৭৭! শরীরে সংক্রমণ থাকা অবস্থায় কলকাতায় মৃত প্রায় ২০০: স্বাস্থ্য ভবন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৭ জন। মারা গেছেন আরও ৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠে ছাড়া পেয়েছেন ১০৭ জন। ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮১৩। কোভিডে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। শুক্র

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ২৭৭! শরীরে সংক্রমণ থাকা অবস্থায় কলকাতায় মৃত প্রায় ২০০: স্বাস্থ্য ভবন

শেষ আপডেট: 29 May 2020 14:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৭ জন। মারা গেছেন আরও ৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠে ছাড়া পেয়েছেন ১০৭ জন। ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮১৩। কোভিডে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। শুক্রবার সন্ধেয় রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ভবনের তরফে প্রকাশিত বুলেটিনে এমনটাই জানা গেছে। বুলেটিনে এ-ও দেখা যাচ্ছে, কলকাতায় নতুন করে ৭১ জন আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৭৩। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। ফলে মোট মৃত ১৪৪। কো-মর্বিডিটিতে কলকাতায় আরও ৫২ জন মারা যাওয়ার ফলে করোনা সংক্রমণ শরীরে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন ১৯৬ জন। অনেকেই বলছেন, কলকাতা তথা গোটা রাজ্যে করোনা সংক্রমণ এমন হু হু করে বাড়া অবস্থায় লকডাউন যে উঠে যেতে চলেছে কয়েক দিন পরে, তাতে এত দিনের লকডাউনের ফলাফল জলে যেতে পারে। গত কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধেয় জানা গেছিল, ৩৪৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ৪৫৩৬। আজ শুক্রবার সেটা বেড়ে হয়েছে ৪৮১৩। এঁদের মধ্যে এই মুহূর্তে করোনা অ্যাকটিভ কেস অর্থাৎ শরীরে করোনার জীবাণু সক্রিয় আছে ২৭৩৬ জনের দেহে।

প্রশাসনের আশঙ্কা সত্যি করে, এ সপ্তাহের গোড়া থেকেই হু হু করে বাড়তে শুরু করেছিল বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রবিবারই সবাইকে চমকে দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নতুন রোগী ধরা পড়ার সংখ্যা পৌঁছেছিল ২০৮-এ। কিন্তু চমকের বাকি ছিল অনেকটাই। গতকালই ২৪ ঘণ্টায় ধরা পড়ে ৩৪৪ জনের দেহে। তার পরে আজ ২৭৭ জন। অর্থাৎ সংক্রমণের গতি স্পষ্টতই রীতিমতো ঊর্ধ্বমুখী। বুলেটিন বলেছ, এ দিন ৯২৮২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে করোনার। এপর্যন্ত এই সংখ্যাটাই সর্বাধিক। এই সপ্তাহে প্রতিদিনই ৯০০০-এর বেশি সংখ্যায় টেস্ট হচ্ছে রাজ্যে। ফলে কোভিড রোগীও যে আরও বেশি ধরা পড়বেন, সেটা হওয়ারই কথা। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে, গত কয়েক দিনে বিভিন্ন রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরার বিপদ। অনেকেই নানা উপসর্গ নিয়ে বাংলায় ফিরেছেন। তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রেখে টেস্ট করা হচ্ছে। সেখান থেকে একটা বড় সংখ্যার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত বলে ধরা পড়ছেন বলে জানা গেছে সরকারি সূত্রে। পরিযায়ী শ্রমিকরা বাংলায় ফিরলেই যে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়বে, তা অনেকেই বলছিলেন। পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন্ রাজ্য থেকে ফিরলে তাঁদের গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না বলেও শোনা গেছিল রাজ্যের বহু প্রান্ত থেকে। কিন্তু এ কথা ঠিক, পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন্ রাজ্যে অত্যন্ত কষ্ট করেছিলেন। তাঁরা বাড়ি ফিরতে চাইছেন, তাঁদের পরিবারের লোকজন তাঁদের জন্য আকুল হচ্ছেন। এই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই দেখতে হবে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরা যে স্পষ্টতই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়িয়েছে, তা বোঝা যায় জেলাগুলিতে সংক্রমণের হার বাড়ার চিত্রটা দেখলেই। আজ কলকাতায় ৭১ জনের পরেই উত্তর ২৪ পরগনায় ধরা পড়েছেন ৫৪ জন কোভিড রোগী। তার পরেই আছে হাওড়া, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীর সংখ্যা ২৯। হাওড়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৪০। উত্তর দিনাজপুরে ২৩ জন নতুন রোগী ধরা পড়ার পরে মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬। সপ্তাহ দেড়েক আগেও এই উত্তর দিনাজপুরই ছিল সংক্রমণমুক্ত। এখন রাজ্যে সংক্রমণমুক্ত জেলা আছে একটিই, কোচবিহার।
তবে এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৭৫ জন করোনা থেকে সুস্থও হয়ে উঠেছেন এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সেরে উঠেছেন ১০৭ জন। ডিসচার্জ রেট এখন ৩৬.৮৭ শতাংশ। মোট টেস্ট হয়েছে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫১টি। ৫৮২টি সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এখন আছেন ১৬ হাজার ৫০২ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন সওয়া এক লক্ষ মানুষ।

```