Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণভোটের মুখে হুগলিতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি! ক্ষুব্ধ স্মৃতি ইরানি মাঝপথেই ছাড়লেন শোভাযাত্রা

#BREAKING: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্যের পাঁচ বছরের জেল

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  ভুয়ো সার্টিফিকেটে চাকরির মামলায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিনহা, প্রাক্তন কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায় ও মুক্তি দেবকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিল বোলপুর আদালত। ওই মামলায় গতকালই তিনজনকে দোষী সাব্যস

#BREAKING: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্যের পাঁচ বছরের জেল

শেষ আপডেট: 21 February 2019 10:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  ভুয়ো সার্টিফিকেটে চাকরির মামলায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিনহা, প্রাক্তন কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায় ও মুক্তি দেবকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিল বোলপুর আদালত। ওই মামলায় গতকালই তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন এসিজেএম অরবিন্দ মিশ্র। ১৯৯৭ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বভারতীর অ্যাপ্লায়েড ম্যাথামেটিকসের অধ্যাপিকা হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন মুক্তি দেব। সেই সময় বিশ্বভারতীর উপাচার্য ছিলেন দিলীপ সিনহা এবং কর্মসচিব ছিলেন দিলীপ মুখোপাধ্যায়। ২০০২ সালে বিশ্বভারতী থেকে পিএইচডি করার আবেদন করেন মুক্তিদেবী । এই আবেদনের ভিত্তিতেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, মুক্তিদেবীর স্নাতক এবং মাস্টার ডিগ্রির সার্টিফিকেট চায়। কিন্তু মুক্তিদেবী সেই নথি জমা দিতে পারেননি। এরপরই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হওয়ায় তাঁর চাকরিতে যোগদানের নথি খতিয়ে দেখা হয়। তখনই বোঝা যায় মুক্তিদেবীর সমস্ত শংসাপত্র ভুয়ো এবং সেই ভুয়ো শংসাপত্রেই সই করেছেন তৎকালীন উপাচার্য দিলীপ সিনহা এবং কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায়। কীভাবে ভুয়ো সার্টিফিকেট জমা দিয়ে তিনি চাকরিতে যোগ দিলেন, এবং কেনই বা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কর্মসচিব সেই সার্টিফিকেট খতিয়ে না দেখে তাতে সই করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ২০০৪ সালে তৎকালীন উপাচার্য সুজিত বসুর নির্দেশে কর্মসচিব সুনীল সরকার একটি মামলা রুজু করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। মামলার দায়িত্বভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। তদন্ত শেষ করে ২০০৫ সালে সিআইডি আদালতের কাছে চার্জশিট জমা করে। তৎকালীন উপাচার্য দিলীপ সিনহা, কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায় এবং মুক্তি দেবের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৬৯, ৪৭১, ৪৭৪ এবং ১২০বি ধারায় মামলা রুজু হয়। এই মামলায় তিনজনকে গতকালই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আজ তাঁদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। পাশাপাশি এক হাজার টাকা করে জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। সিআইডির বিশেষ আইনজীবী নবকুমার ঘোষ জানান, অভিযুক্তদের আগেই দোষী সাব্যস্ত করেছে বোলপুর আদালত। এ দিন সাজা ঘোষণা করলেন এসিজেএম। রায় শোনার জন্য এ দিন বিশ্বভারতীর বহু কর্মী আদালত চত্বরে ভিড় জমান। রায় শোনার পর প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিংহ বলেন "আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছি, উচ্চ আদালতে যাওয়ার ভাবনা রয়েছে।" একই কথা জানিয়েছেন তাঁদের আইনজীবী শ্যামসুন্দর কুঁয়ার। উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য এ দিন বোলপুর আদালতে জামিনেরও আবেদন করেছিলেন সাজাপ্রাপ্তরা। সেই আবেদন খারিজ করেছে বোলপুর আদালত। সাজাপ্রাপ্ত তিনজনকেই আজ বোলপুর মহকুমা সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে আদালত সূত্রে খবর।

```