Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

স্রোতস্বিনী কংসাবতীতে নেই সেতু, বাঁশের ভেলাই দুপারের মানুষের সহায়

স্রোতস্বিনী কংসাবতীতে নেই সেতু, বাঁশের ভেলাই দুপারের মানুষের সহায়

শেষ আপডেট: 8 October 2023 15:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পুরুলিয়া: চারটে রাবারের টায়ারের উপর বাঁশের পাটাতন বসানো। এমনভাবেই ভেলা তৈরি করে স্রোতস্বিনী নদী পারাপার করেন পুরুলিয়ার কংসাবতী পাড়ের মানুষ। বাইক হোক কিংবা সাইকেল, নদী পারাপার করতে এই ভেলাই এখন দুই পাড়ের মানুষের সহায়। 

কয়েকদিন আগে ভারী বৃষ্টিতে কংসাবতীর স্রোতে ভেসে গিয়েছে দুপাড়ের বাসিন্দাদের নদী পার হওয়ার একমাত্র অবলম্বন  অস্থায়ী বাঁশের সেতু। এর ফলে নদীর দুই প্রান্তের মানুষ পস্পরের থেকে একেবারেই যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। শনিবার থেকে এলাকার বাসিন্দারাই নিজেদের উদ্যোগ শুরু করেছেন এই ভেলা পরিষেবা। ভোর রাত থেকে শুরু করে পরেরদিন রাত ৮ পর্যন্ত ভেলা ভাসিয়ে লোকজনকে নদীপার করাচ্ছেন এলাকার মাঝিরা। 

আড়ষা ব্লকের বামুনডিহা ও পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের কাঁটাবেড়া গ্রামের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে কংসাবতী। কয়েকদিন আগে পর্যন্ত নদীর উপর একটি অস্থায়ী সেতু ছিল। প্রায় ১৫-২০ টি গ্রামের মানুষ সেই সেতু দিয়েই যাতায়াত করতেন। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই অঞ্চলে একটি স্থায়ী সেতুর প্রয়োজন রয়েছে। তার জন্য রাজ্য সরকার উদ্যোগ নিলেও প্রথমধাপেই থমকে গিয়েছে সেতু নির্মাণের কাজ।

গ্রামবাসী লালমোহন মাহাত জানিয়েছেন, চাঁদা তুলে দুই পারের বাসিন্দারাই অস্থায়ী সেতু তৈরি করে কংসাবতী পারাপার করতেন। বারে বারে সেই অস্থায়ী সেতু ভেঙে যায়। বাধ্য হয়েই ভেলায় নদী পারাপারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গোটা দিন কংসাবতীতে ভেলা ভাসিয়ে তাঁরা পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এভাবে আর কতদিন যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে তাঁরা জানেন না। 

স্থানীয়রা বলছেন, সরকার ২০১৬ সালে কংসাবতী নদীর উপর ১৪৭ মিটার স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য ৯ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিল। সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল। পরে কোনও এক অজানা কারণে আচমকাই কাজ বন্ধ করে দেয় নির্মাণকারী সংস্থা। ৭ বছর হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সেতু নির্মাণের কোনও উদ্যোগ কেউ নিচ্ছে না। 

বামুনডিহা, জুরাডি, তুম্বাঝালদা, কাঞ্চনপুর, কুদগাড়া, জামবাইদ, বিরচালি, মানপুর, আহাড়রা সহ ১৫-২০ টি গ্রামের মানুষকে তাই অস্থায়ী সেতুর উপরেই নির্ভর করতে হয় । প্রতিবছর বর্ষায় কংসাবতী নদীতে জল বাড়লেই দুই প্রান্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । ফলে বাধ্য হয়েই এবার ভেলায় চড়ে নদী পারাপার করার ব্যবস্থা করেছেন গ্রামবাসীরা।


```