
শেষ আপডেট: 14 July 2020 18:30
এই ভার্চুয়াল রিয়ালিটির বিষয়টা ঠিক কী? ধরা যাক ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বা ভিডিও কনফারেন্সে কথা হচ্ছে, এই সময় জিও-গ্লাস চোখে পড়লে মনে হবে যার সঙ্গে কথা হচ্ছে সেই মানুষটা একেবারে চোখের সামনেই রয়েছে। ঠিক যেমন থ্রি-ডি সিনেমায় দেখা যায়। মনে হয় সিনেমার চরিত্রেরা চারপাশেই ঘোরাঘুরি করছে বা স্ক্রিন থেকে একেবারে সামনে চলে এসেছে। একেই বলে হলোগ্রাফিক কলিং। অর্থাৎ টু-ডি কনটেন্টকে থ্রি-ডিতে রূপান্তরিত করার পদ্ধতি। তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াল একদিকে ভিডিও কনফারেন্সও হল, অন্যদিকে ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতেও পৌঁছনো গেল। এই দুইয়ের মিশেলকেই তথ্যপ্রযুক্তিতে বলা হচ্ছে ‘মিক্সড রিয়ালিটি’ (Mixed Reality) ।
https://twitter.com/reliancejio/status/1283326942561701888?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1283326942561701888%7Ctwgr%5E&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.timesnownews.com%2Ftechnology-science%2Farticle%2Fjio-glass-launched-as-mixed-reality-glasses-for-india-all-you-need-to-know%2F621866
রিল্যায়ান্স জিও জানাচ্ছে এই জিও-গ্লাসের ওজন ৭৫ গ্রাম। হাই-রেজোলিউশন ফ্রেম স্ক্রিন থাকবে সেখানে হলোগ্রাফিক মাল্টিভিউ কনটেন্ট একেবারে পরিষ্কার, ঝকঝকে দেখা যাবে। মোবাইল ফোনের সঙ্গে কেবলের মাধ্যমে যোগ করা যাবে এই গ্লাস। ২৫টি অ্যাপকে সাপোর্ট করবে। থ্রি-ডিতে ভার্চুয়াল চ্যাট করা যাবে, ভিডিও কনফারেন্সে মিটিংও হবে। সাধারণ লেন্সের তুলনায় কয়েকশো গুণ উন্নত মানের ও আধুনিক প্রযুক্তির এই জিও-গ্লাস।
জিও-গ্লাসের আরও একটি বড় সুবিধা হল এটি অনলাইন ক্লাসে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। লকডাউনের কারণে এখন বাড়িতে বসেই অনলাইনে পড়াশোনা চলছে। থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিকাল ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের বিশেষভাবে সাহায্য করবে এই জিও-ক্লাস। যেহেতু হাই-ডেফিনিশন ৪কে স্ক্রিন রয়েছে জিও-গ্লাসে তাই মনে হবে সবকিছুই চোখের সামনে রয়েছে বা ঘটছে। বেশিরভাগ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা এই হলোগ্রাফিক কনটেন্টের সুবিধা নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করে। তবে তাদের প্রযুক্তি অন্য। জনসাধারণের ধরাছোঁয়ার মধ্যেই হলোগ্রাফিক থ্রি-ডি কনটেন্টের সুবিধা নিয়ে আসার প্রচেষ্টা এই প্রথম। সেই কাজেই নতুন নজির তৈরি করল রিল্যায়ান্স জিও।