জওয়ানদের হত্যার বদলা, পুলওয়ামায় ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ দুই জইশ জঙ্গিকে ঝাঁঝরা করে দিল সেনা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পর পর ছুটল গুলি। ঝাঁঝরা হয়ে গেল জইশের মোস্ট ওয়ান্টেড কম্যান্ডার আবু সইফুল্লা ও তার সঙ্গী আবু কাসিম। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, উপত্যকায় একাধিক বিস্ফোরণ, গত বছর পুলওয়ামায় ফিদায়েঁ জঙ্গি হামলা, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের পর থেকে ভ
শেষ আপডেট: 23 January 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পর পর ছুটল গুলি। ঝাঁঝরা হয়ে গেল জইশের মোস্ট ওয়ান্টেড কম্যান্ডার আবু সইফুল্লা ও তার সঙ্গী আবু কাসিম। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, উপত্যকায় একাধিক বিস্ফোরণ, গত বছর পুলওয়ামায় ফিদায়েঁ জঙ্গি হামলা, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের পর থেকে ভিন্ রাজ্যের শ্রমিক হত্যা-সহ একাধিক নাশকতায় নাম ছিল এই দুই জইশ জঙ্গির।
অবন্তীপোরায় জঙ্গি দমন অভিযানে গিয়ে নিহত হয়েছিলেন দুই জওয়ান। ঘটনা বুধবারের। তার পর থেকেই জঙ্গিদের পিছু ধাওয়া করেছিল রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ও স্পেশাল অপারেশনস গ্রপ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ফের শুরু হয় গুলির লড়াই। জঙ্গিদের গোপন ডেরা ঘিরে ফেলে ৫০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফের ১৮৫ ব্যাটেলিয়ন। সেনা সূত্রে খবর. কঠিন প্রত্যাঘাত হানা হয় জইশ ঘাঁটির উপর। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় আবু সইফুল্লাকে। তার ঘনিষ্ঠ শাগরেদ আবু কাসিমও খতম হয়েছে এই জঙ্গি দমন অভিযানে।
গুলির লড়াইতে জখম রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ান রাহুল রানসওয়াল ও সিপিও শাহবাজ আহমেদ। তাঁদের শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, অবন্তীপোরায় নতুন করে ঘাঁটি তৈরি করেছে জইশ-ই-মহম্মদ। যার মাথা ছিল আবু সইফুল্লা। পাকিস্তানের জইশ শিবির থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সইফুল্লা ত্রাল ও অবন্তীপোরায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জইশের মাথা হয়ে বসেছিল। ২০১৩ সালের জুলাইতে কুপওয়ারায় জইশের চিফ কম্যান্ডার কারি ইয়াসির এনকাউন্টারে খতম হওয়ার পর থেকেই সেই জায়গা নেওয়ার চেষ্টা করছিল সইফুল্লা। উপত্যকার তরুণদের জইশ ঘাঁটিতে টেনে এনে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্বও ছিল তার উপর। সইফুল্লার ডান হাত আবু কাসিম। উপত্যকার জইশ ঘাঁটিগুলির মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখাই ছিল তার কাজ।
[caption id="attachment_180527" align="aligncenter" width="600"]

আবু সইফুল্লা[/caption]

গোয়েন্দা সূত্র জানাচ্ছে, গত বছর ত্রালের দুই গ্রামবাসী আবদুল কাদির কোহলি ও মানজুর আহমেদ কোহলিকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে খুন করে সইফুল্লা। তখন থেকেই তার উপর নজর রাখা শুরু করেন গোয়েন্দারা। গত বছর শেষের দিকে সইফুল্লার নাগাল পেতে বারকয়েক এনকাউন্টারও চালানো হয় ত্রাল ও অবন্তীপোরার নানা জায়গায়। তবে প্রতিবারই সেনাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল সে। এবার আর পালাবার সুযোগ পায়নি। সেনা জওয়ানদের গুলি এফোঁড় ওফোঁড় করে দিয়েছে জইশের এই কম্যান্ডারকে।