জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর কমেছে পাথর ছোড়ার ঘটনা, দাবি নতুন সেনাপ্রধানের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ হওয়ার পর থেকেই নাকি আইনশৃঙ্খলা ফিরেছে উপত্যকায়। কমেছে অশান্তির ঘটনা। এমনকি সংখ্যা কমেছে পাথর ছোড়ার ঘটনারও। এমনটাই দাবি করেছেন ভারতের নতুন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সেনাপ্রধানের কথায়, স্
শেষ আপডেট: 4 January 2020 07:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ হওয়ার পর থেকেই নাকি আইনশৃঙ্খলা ফিরেছে উপত্যকায়। কমেছে অশান্তির ঘটনা। এমনকি সংখ্যা কমেছে পাথর ছোড়ার ঘটনারও। এমনটাই দাবি করেছেন ভারতের নতুন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সেনাপ্রধানের কথায়, স্পেশ্যাল স্ট্যাট্যাস রদ হওয়ার পর থেকে জম্মু-কাশ্মীরে অশান্তির ঘটনা আগের থেকে অনেক কমেছে। হালফিলের পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দিচ্ছে উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এখন আগের তুলনায় অনেক ভাল।
সেনাবাহিনীর গাড়িতে পাথর ছোড়ার ঘটনা কাশ্মীরে নতুন নয়। কখনও জঙ্গি গোষ্ঠী তো কখনও আমজনতা, সেনাবাহিনীর গাড়িকে নিশানা বানিয়েছে বারবার। তবে জেনারেল নারাভানের কথায় ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর থেকে এই পাথর ছোড়ার ঘটনা একেবারেই কমে গিয়েছে। সেনাপ্রধানের কথায়, "অগস্টের ৫ তারিখের আগের পরিসংখ্যান এবং তারপরের অবস্থা দেখলেই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয় যে জম্মু-কাশ্মীরে এখন আইনশৃঙ্খলার অবস্থা আগের তুলনায় অনেক ভাল। অশান্তির ঘটনা, পাথর ছোড়া এবং জঙ্গি নাশকতা সবই চোখে পড়ার মতো কমেছে উপত্যকায়। এ ব্যাপারে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই।"

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও বলা হয়েছে ২০১৯ সালের অগস্ট থেকে এখনও পর্যন্ত পাথর ছোড়ার ঘটনা ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। ভারত সরকারের তরফে আরও বলা হয়েছে যে, ৩৭০ ধারা বিলোপের পর জম্মু-কাশ্মীরে ১৯০-এর আশেপাশে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২৬০ জনের ইতিমধ্যেই জেলও হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গোটা ২০১৯ জুড়ে মোট ৫৪৪টি পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে ১৯০টি উপত্যকায় স্পেশ্যাল স্ট্যাট্যাস রদ হওয়ার পর। বাকি সব ঘটনাই ঘটেছে অগস্টের ৫ তারিখের আগে। প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ৫ অগস্টই জম্মু-কাশ্মীর থেকে অবলুপ্ত হয় ৩৭০ ধারা।
ভারতের প্রথম ‘চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ’ হিসেবে বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়তের নাম ৩০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এরপর ৩১ ডিসেম্বর চিফ অব আর্মি স্টাফ বা সেনাপ্রধানের পদ থেকে অবসর নেন তিনি। সেই জায়গায় দেশের নতুন সেনাপ্রধান হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। এতদিন তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তার আগে ছিলেন ইন্টার্ন কম্যান্ডের জিওসি-ইন-সি (জেনারেল অফিসার কম্যান্ডিং ইন চিফ)।