দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটা, দুটো নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১৮টি ছবি টুইট করে জাতীয় কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডল থেকে লেখা হল, ‘হ্যাপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম ডে।’
আজ, ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। গত কয়েক বছরে মোদীর বিদেশ যাত্রার ছবি টুইট করল কংগ্রেস। সন্দেহ নেই উদ্দেশ্য রাজনৈতিক বিদ্রুপ। সবকটি ছবিই প্লেনের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মোদীর অভিবাদন জানানোর বা গ্রহণ করার। এক একটি ছবিতে এক এক বেশে প্রধানমন্ত্রী। কোনওটায় পাঞ্জাবি জহর কোট, কোনওটায় শার্ট বা স্যুট। কোনওটায় হাত নাড়ছেন আবার কোনওটায় হাত জোড় করে নমস্কার জানাচ্ছেন।
গত লোকসভা ভোটের সময় মোদীর বিদেশ যাত্রা নিয়ে কম কটাক্ষ করেনি কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি। তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী তো রায়গঞ্জের সভায় এসে বলেছিলেন, “অনেকে বলছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নাকি এনআরআই প্রধানমন্ত্রী। বেশিরভাগ সময়ে বিদেশে থাকেন। মাঝে মধ্যে এ দেশে বেড়াতে আসেন।”
https://twitter.com/INCIndia/status/1177450895174320128
১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে কতবার মোদী বিদেশ সফরে গিয়েছেন, কটি দেশে পা রেখেছেন, তাতে এ দেশের কোষাগার থেকে কত টাকা খরচ হয়েছে, এ সব ছিল রাজনৈতিক আক্রমণের হাতিয়ার। উনিশের ভোটে আরও শক্তি বাড়িয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য কুর্সিতে মোদী। কিন্তু কংগ্রেস আক্রমণের নিশানা বদলাল না।
পরিসংখ্যান বলছে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোদীর বিদেশ সফরের জন্য বোর্ডিং, হটলাইন যোগাযোগ—ইত্যাদি প্রভৃতির জন্য সরকারের দু’হাজার ২১কোটি টাকা খরচ হয়েছে। যদিও বিজেপি নেতারা বলছেন অন্য কথা। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী ভিকে সিং বলেন, “মনমোহন সিংও বিদেশ যেতেন। তাতেও সরকারের খরচ হত। কিন্তু কিছু রিটার্ন আসত না। আর মোদীর বিদেশ সফরের পর পৃথিবীর প্রথম দশটা রাষ্ট্র ভারতে প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ করছে। এটাই পার্থক্য।” গেরুয়া শিবিরের তরফে আরও বলা হচ্ছে, নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফর মানে কী, তা হিউস্টনের ‘হাউডি মোদী’র মঞ্চ প্রমাণ করে দিয়েছে।