দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজোড়া লকডাউনের মধ্যে বিহারের মানুষের কিছুটা আর্থিক সুরাহার জন্য পরিবার প্রতি হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বুধবার বিহার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে পরিবারের একজনেরও রেশন কার্ড আছে, সেই পরিবারকে রাজ্য সরকার হাজার টাকা দেবে।
এর আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঘোষণা করেছিলেন নির্মাণ শ্রমিকদের অনুদান দেওয়ার কথা। রাজ্যের অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক পরিবারগুলিকে এককালীন একহাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এবার অনুদান ঘোষণা করলেন নীতীশও।
যদিও নীতীশের অনুদান ঘোষণা অনেক বড় আকারের। রেশনকার্ড রয়েছে এরকম সমস্ত পরিবারকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিহার সরকার। ফলে এখানে কোনও ভাগ নেই। রেশন কার্ড থাকলেই মিলবে অনুদান।
গত ২৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। তাতে দাবি জানানো হয়েছিল জনকল্যাণ সেসের টাকা থেকে দেশের নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত সাড়ে চারকোটি শ্রমিককে আর্থিক প্যাকেজ দিক কেন্দ্র। তারপর গতকাল কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ কুমার গাঙওয়ার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অ্যাডভাইজারি পাঠিয়ে বলেন, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য তহবিল গড়তে।
ইতিমধ্যেই বিহারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মুঙ্গেরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে সবচেয়ে কমবয়সী এই যুবক। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৮ বছর। তারপর থেকেই বিহার সরকার করোনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী একুশ দিনের লকডাউন ঘোষণার পর আজ অনুদানের সিদ্ধান্ত নিল বিহার সরকার।