দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার থেকেই সাজতে শুরু করেছিল ক্যাম্পাস। মঙ্গলবার সন্ধেবেলা বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ব্যানার, পোস্টার, পতাকা, হোর্ডিং-এ ঢেকে যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। বুধবার সকাল ১০টা থেকে ভোট শুরু হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্টস--এই তিন বিভাগের ছাত্র সংসদ কারা পরিচালনা করবেন তা ঠিক করতেই ভোট দিচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা। আগামী কাল, ২০ ফেব্রুয়ারি হবে যাদবপুরের ভোট গণনা।
গত কয়েক মাসে একাধিকবার শিরোনামে এসেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। কখনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ঘেরাও তো কখনও সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে আটকে দেওয়া--একাধিক ঘটনা ঘটেছে ক্যাম্পাসে। সেই প্রেক্ষাপটে টানটান উত্তেজনায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ।
এবারই প্রথম গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি একাধিক ফ্যাকাল্টির বিভিন্ন পদ ও শ্রেণি প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ কেমন ফলাফল করে যাদবপুরে সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। পর্যবেক্ষকদের মতে, বাম, অতিবাম ও স্বাধীনচেতাদের গড় বলে খ্যাত যাদবপুরে এবিভিপি যদি একটিও আসন পায় তাহলে সেটাই হবে তাৎপর্যপূর্ণ।
উল্টোদিকে আর্টসের ইউনিয়ন ছিল এসএফআইয়ের দখলে। কিন্তু সংগঠনের নানাবিধ অভ্যন্তরীণ সমস্যায় সিপিএমের ছাত্র সংগঠনের কোন্দল গত কয়েক মাসে বারবার প্রকাশ পেয়েছে। বিদায়ী ইউনিয়নের বহু পদাধিকারী-সহ নেতৃত্বে স্থানীয়রা ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে এসএফআইয়ের কাছেও চ্যালেঞ্জ ইউনিয়ন টিকিয়ে রাখার। ভোটে লড়ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদও।
ভোট ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় সে ব্যাপারে ছাত্রদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তিনি একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, যাদবপুরের ঐতিহ্য যেন ক্ষুণ্ন না হয়। তবে যাদবপুর কোন দিকে হাঁটছে তা জানতে বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে যাবে।