
শেষ আপডেট: 5 September 2019 19:06
এর আগে এনআরএস কাণ্ডের জেরে রদবদল হয়েছিল রোগীকল্যাণ সমিতিতে। আরজি কর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। তাঁর জায়গায় সুদর্শন ঘোষ দস্তিদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে আরও একটি সূত্রের খবর, দুটি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির দায়িত্ব থেকে সরালেও আরও বড় দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে শান্তনু সেনকে।
এনআরএস হাসপাতালে ডাক্তার নিগ্রহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার জেরেই এই বদল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই আন্দোলন চলাকালীন এনআরএস হাসপাতালে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় শান্তনুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তা ছাড়া আইএমএ যা অবস্থান নিয়েছিল তাতেও অস্বস্তিতে পড়েছিল সরকার। কোনও দিকই শান্তনু সামাল দিতে পারেননি বলে অভিযোগ।
তবে এই রদবদল হাসপাতালে সামগ্রিক পরিবেশ ও পরিস্থিতির উন্নতিতে কতটা সহায়ক হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এক ইন্টার্ন স্পষ্টই বলেছিলেন, অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতি কাজের কাজ কিছু করে না। রাজনীতির আখাড়া হয়ে উঠেছে সে গুলি। রোগী কল্যাণ সমিতিতে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধি রাখার দাবিও ওঠে ওই বৈঠকে। সেই দাবি মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।