Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহের

ব্যাট করতে করতে বুকে ব্যথা, তারপরেই সব শেষ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুম্বইয়ের ভাণ্ডুপে টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েছিল চব্বিশ বছরের বৈভব কেসরকর। ম্যাচ চলাকালীন ব্যাট করতে করতে আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন বৈভব। কিন্তু খেলা ছাড়েননি। খানিক বিরতি নিয়েই ফের ক্রিজে ফিরে আসেন ওই তরুণ। কিন্তু বাড়তে থাকে

ব্যাট করতে করতে বুকে ব্যথা, তারপরেই সব শেষ

শেষ আপডেট: 25 December 2018 15:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুম্বইয়ের ভাণ্ডুপে টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েছিল চব্বিশ বছরের বৈভব কেসরকর। ম্যাচ চলাকালীন ব্যাট করতে করতে আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন বৈভব। কিন্তু খেলা ছাড়েননি। খানিক বিরতি নিয়েই ফের ক্রিজে ফিরে আসেন ওই তরুণ। কিন্তু বাড়তে থাকে বুকের ব্যথা। শেষে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেই মাঠ ছাড়েন বৈভব। গিয়ে বসেন প্যাভিলিয়নে। একটু পরেই গ্যালারিতে বসা বৈভবের সতীর্থরা খেয়াল করেন তাঁর শরীর বিশেষ ভালো নেই। বৈভবের এক বন্ধু রাকেশ পাওয়ার জানান, বুকে ব্যথা বেড়েই চলেছিল তাঁর বন্ধুর। শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে দেখে তড়িঘড়ি বৈভবকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় ভাবসর মাল্টিস্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকদের কোনও ওষুধেই সাড়া দেননি বৈভব। ট্রিটমেন্ট চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। ডাক্তার সত্যেন ভাবসর চিকিৎসা করেছিলেন বৈভবের। তিনি জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সব চেষ্টাই করেছিলেন তাঁরা। দেওয়া হয়েছিল প্রয়োজনীয় সব ওষুধও। কিন্তু কোনও কিছুতেই সাড়া দেননি চব্বিশ বছরের এই তরুণ। আচমকা হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয় তাঁর। বৈভবের বন্ধু রমেশ জানিয়েছেন, হাতে চাকরি ছিল না কেসরকরের। পরিবারেও ছিল আর্থিক টানাটানি। মানসিক ভাবে ভীষণ চাপে ছিলেন বৈভব। কিন্তু বন্ধুদের কখনই সেসব বলতেন না তিনি। সবার সঙ্গে সবসময় ভালো ব্যবহার করতেন। অন্যের বিপদে সাহায্যে এগিয়ে আসতেন। আর খেলা ছিল তাঁর প্রাণ। বৈভব যে একজন ভালো ক্রিকেটার ছিলেন এ কথা বারবার উল্লেখ করেছেন রমেশ।

```