Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটো

ভোটার তালিকায় নাম উঠলেও মায়ের স্বস্তি কই! তিন বছর ধরে যে পাক জেলে বন্দি বসিরহাটের দুই যুবক

পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ওই মৎস্যজীবীদের গ্রেফতার করে। তারা বহুবার বহু রকমভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করে যে মাছ ধরতে ধরতে তারা ঘুমিয়ে পড়েছে এবং তাই তারা পাকিস্তানের সীমান্তে চলে এসেছে। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের গ্রেফতার করে এবং ৩ বছর ধরে তারা পাকিস্তানের ল্যান্ডি জেলে বন্দি।

ভোটার তালিকায় নাম উঠলেও মায়ের স্বস্তি কই! তিন বছর ধরে যে পাক জেলে বন্দি বসিরহাটের দুই যুবক

শ্যামশ্রী দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 2 March 2026 16:23

প্রতীতি ঘোষ, বসিরহাট: ভোটার লিস্টে (SIR Voter list) নাম উঠেছে ছেলের। তাতেও স্বস্তি মিলছে কই! এখনও যে বাড়িই ফিরল না ঘরের ছেলে। গত তিন বছর ধরে পাকিস্তানের জেলে (Pak Jail) বন্দি লালটু দাস আর বিকাশ দাস। উৎকণ্ঠা আর দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে দুটি পরিবারের।

বসিরহাট ২ ব্লকের চাঁপাপুকুর পঞ্চায়েতের মোমিনপুরের বাসিন্দা লাল্টু আর বিকাশ। পেশায় তাঁরা মৎস্যজীবী। কাজের খোঁজে গুজরাট গিয়েছিলেন তাঁরা। একটি ঠিকাদার সংস্থার হয়ে সাগরে মাছ ধরার কাজ করতেন। বিপদ বাঁধল সেখানেই।

২০২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি। ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল ৯ জনের একটি দল। সেই দলেই ছিলেন লাল্টু আর বিকাশ। গভীর রাতে ক্লান্তিতে চোখ লেগে এসেছিল মৎস্যজীবীদের। তখনই ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে চলে যায় পাকিস্তানের সীমানায়। আর এখানেই তৈরি হয় সমস্যা।

পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ওই মৎস্যজীবীদের গ্রেফতার করে। তারা বহুবার বহু রকমভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করে যে মাছ ধরতে ধরতে তারা ঘুমিয়ে পড়েছে এবং তাই তারা পাকিস্তানের সীমান্তে চলে এসেছে। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের গ্রেফতার করে এবং ৩ বছর ধরে তারা পাকিস্তানের ল্যান্ডি জেলে বন্দি।

লাল্টু ও বিকাশ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছে। তাতেও কোনও সুরাহা হয়নি। পাকিস্তান থেকে ছেলেদের ছাড়িয়ে আনার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। দুটি পরিবারের কাতর আবেদন, অবিলম্বে তাদের ঘরের ছেলেদের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।


```