দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘কে হবেন প্রধানমন্ত্রী সেই প্রশ্ন তুলে আমাদের ডিভাইড করবেন না।’ শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্নে জম্মু ও কাশ্মীরের নেতা ওমর আবদুল্লার পাশে রেখে সাংবাদিকদের এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ক’দিন আগেই ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে মমতা দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২টা সিটের ৪২টাই জয় করতে হবে। তৃণমূলের অন্দরমহলের ব্যাখ্যা, সামনের নির্বাচনের পর তৃণমূলই যে লোকসভায় তৃতীয় বৃহত্তম দল হতে চলেছে সেটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আর সেক্ষেত্রে ফেডারেল ফ্রন্ট গঠন করে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হয়ে উঠতে চান মমতাই।
তবে প্রধানমন্ত্রীর আসনের দিকে তাকিয়ে আছেন বিজেপি বিরোধী অনেক আঞ্চলিক নেতারাই। উত্তরপ্রদেশের মায়াবতী বা অন্ধ্রের চন্দ্রবাবুর মতো তাঁদের অনেকেই দেশের সর্বোচ্চ পদে বসতে চান।
রাজনৈতিক মহলের ব্যাখা, ভোটের এত আগে থেকে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে তুলে ধর এখন থেকেই ফেডেরাল ফ্রন্টের ভেতরে বিরোধ ঘটাতে চান না মমতা।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওমর নিজেও বলেন, দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ভয় পেয়ে রয়েছে। এখন বিজেপিকে হটানোই পাখির চোখ তাঁদের। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে বিজেপি-বিরোধী দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে এক হয়ে লড়তে হবে। ফেডেরাল ফ্রন্ট গঠন নিয়েও মমতার সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে এখনও যে কোনও কথা হয়নি সে কথাও পরিষ্কার করে দেন ওমর। তিনি জানান, এটা নিয়ে এখনও বলার সময় হয়নি।
এইদিন কাশ্মীর এবং পাকিস্তান নিয়েও কথা বলেন ওমর। বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের কূটনীতি নিয়ে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। তিনি আরও জানান, কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত মমতা।
ইমরান খানের বৃহস্পতিবারের বক্তৃতা প্রসঙ্গে তাঁর মতামত, উনি খুব ভালো বলেছেন। ওঁকে আরও সময় দিতে হবে।