
শেষ আপডেট: 2 January 2020 14:44
চূড়ান্ত নাটকের পরে গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন শিবসেনাপ্রধান উদ্ধব ঠাকরে।
মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের ফল বার হলে দেখা যায় যে আগের চেয়ে আসন কমেছে শাসক জোটের দুই প্রধান শরিক বিজেপি ও শিবসেনার তবে সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় আসন তাদের ছিল। অর্ধেক মেয়াদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ চেয়ে অনড় থাকে শিবসেনা। বিজেপির সবচেয়ে পুরনো শরিকের সঙ্গে জোট ভেঙে যায়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও দলই সরকার গড়তে না পারায় মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতিশাসন জারি হয়।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পরে মহারাষ্ট্রে জোট চূড়ান্ত হয় শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে। যে সন্ধ্যায় জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে উদ্ধব ঠাকরের নাম ঘোষণা করেন শরদ পাওয়ার, তার পরের দিন ভোরে এনসিপির (শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের) সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই অজিত পাওয়ার তাঁর কাকার কাছে ফিরে গেলে পদত্যাগ করেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন উদ্ধব ঠাকরে।
ঠাকরে শপথ নেওয়ার পরে একমাসেরও বেশি সময় কেটে গেছে তাও মহারাষ্ট্রে দফতর বণ্টন হয়নি। এতদিন পরে বুধবার অর্থ ও পূর্ত দফতর বণ্টন হয়েছে। এক-দু’দিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করবেন উদ্ধব ঠাকরে। দফতর বণ্টনও করবেন বলে দাবি করেছেন শরদ পাওয়ার।
আদর্শগত ভাবে বিপরীত মেরুতে থাকা শিবসেনা ও কংগ্রেসকে নিয়ে সরকার গড়ার ব্যাপারে প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন শরদ পাওয়ার। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বড় ঘোষণা করেছেন তিনিই। তিনি দাবি করছেন, দফতর নিয়ে সব শরিকদলই খুশি।