
শেষ আপডেট: 12 November 2024 18:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুটি বাসের রেষারেষিতে মৃত্যু হল ফের এক স্কুল পড়ুয়া। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় সল্টলেক ২ নম্বর গেটের সামনে। বেহালার পরে ফের এমন ঘটনা ঘটায় ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ স্কুল ছুটির পরে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। অভিযোগ, সেই সময়ে দুটি বাস রেষারেষি করছিল। দুটি বাসের মধ্যে একটি সল্টলেক-হাওড়া রুটের বাস চাকার তলায় পিষে দেয় ওই স্কুল পড়ুয়াকে। এরপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়রা দুটি বাসে ভাঙচুর চালায়। বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাইপাস।
গত বছর অগস্ট মাসে বেহালা স্কুল যাওয়ার পথে মাটিবোঝাই লরির ধাক্কা মৃত্যু হয় ক্লাস টুয়ের ছাত্র সৌরনীল সরকারের। সেদিন বাবার সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল সে। রাস্তা পারাপার করার সময়ে তাদের ধাক্কা মারে ওই লরি। উত্তাল হয়ে ওঠে বেহালা। ট্রাফিক পুলিশ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এর কয়েক মাস পরেই বাঁশদ্রোণীতেও পে-লোডারের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু হয়। এবার একই ঘটনা ঘটল সল্টলেকেও।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুটি বাস রেষারেষি করছিল। তখনই ওই স্কুল পড়ুয়া মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। কোনও কিছু না দেখেই সল্টলেক-হাওড়া রুটের একটি বাসের চালক ওই স্কুল পড়ুয়াকে ধাক্কা মারে। এর পরেই স্কুল পড়ুয়ার দেহ ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইলেও দফায় দফায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সল্টলেকে ২ নম্বর গেট চত্বর। এতে যানজট তৈরি হয় বাইপাসে।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা দফায় দফায় বিক্ষোভ চালাতে থাকেন।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। পুলিশ ঠিক মতো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করলে এমন ঘটনা ঘটত না। এদিকে রাস্তার এক পাশ অবরোধ মুক্ত করা গেলেও বাইপাসে গাড়ি চলাচল খুব ধীর গতিতেও হচ্ছে। ছাত্রের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।