Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

পুজোর ভিড়ে বাড়তি ভোগান্তি, এক ধাক্কায় কমল মেট্রোর ৩২ ট্রেন

যাত্রীদের বড় অংশের প্রশ্ন, “দুর্ভোগ কমাতে গিয়ে কি উল্টে সমস্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে না?”

পুজোর ভিড়ে বাড়তি ভোগান্তি, এক ধাক্কায় কমল মেট্রোর ৩২ ট্রেন

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 12 September 2025 07:36

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিত্য সমস্যা তো ছিলই, তার উপর পুজোর আগে বাড়তি ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি করল কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro)। দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত দৈনিক ২৭২টি পরিষেবার সংখ্যা কমে দাঁড়াচ্ছে ২৪০-এ। অর্থাৎ, এক ধাক্কায় কমছে ৩২টি ট্রেন (32 metro trains were reduced)। 

তবে পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না এই পরিষেবা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিদিন দক্ষিণেশ্বর থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার (টালিগঞ্জ) পর্যন্ত চলবে এই ৩২টি ট্রেন। টালিগঞ্জে গিয়ে ফের দক্ষিণেশ্বরে ফিরবে সেগুলি। আর দক্ষিণ কলকাতার শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত যাবে না।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, সীমিত রেক নিয়েই পরিষেবা বজায় রাখতে এই কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইস্ট–ওয়েস্ট ও উত্তর–দক্ষিণ করিডর মিলিয়ে হাতে আছে মাত্র ২৮টি রেক। এতেই দিনভর যাত্রী চাপ সামলাতে হচ্ছে। সম্প্রতি আরও কিছু ডালিয়ান কোচ বন্দরে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু সেগুলির ট্রায়াল রান বাকি থাকায় এখনও পরিষেবায় শুরু করা যায়নি। কবে হবে, তাও স্পষ্ট নয়।

যাত্রীদের বড় অংশের প্রশ্ন, “দুর্ভোগ কমাতে গিয়ে কি উল্টে সমস্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে না?” বিশেষত পুজোর মরশুমে, যখন শহরে মানুষের ঢল নামে, তখন পরিষেবা কাটছাঁটের সিদ্ধান্তে হতাশ সাধারণ যাত্রী। দক্ষিণ থেকে উত্তর শহরে প্রতিদিন যাতায়াতকারীদের আশঙ্কা—টালিগঞ্জে ট্রেন ঘুরে গেলে চাপ দ্বিগুণ হবে।

যদিও মেট্রো আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন, পরিষেবা কমলেও ট্রেন চলবে নির্দিষ্ট ব্যবধানে। ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৫ মিনিটে একবার করে, আর অন্য সময়ে প্রতি ৭ মিনিট অন্তর ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্তে মেট্রোর উপর চাপ কিছুটা হলেও সামলানো যাবে।

তবুও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—পুজোর সময় যাত্রী ভিড়ের সঙ্গে কি সত্যিই পাল্লা দিতে পারবে মেট্রো? নতুন রেক কবে নামবে লাইনে? যাত্রী দুর্ভোগ কি আরও বাড়বে? শহরের হাজারো মানুষের চোখ এখন সেই উত্তর খোঁজার অপেক্ষায়।


```