পুজোয় কড়া বিধি হাইকোর্টের, সতর্ক থাকতে অফিসারদের ছুটি বাতিল করল লালবাজার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্গাপুজোর সময়ে অক্টোবরেই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ মহল। সংক্রমণে লাগাম টানতে গত বছরের মতো এ বছরেও পুজোর সময় একগুচ্ছ বিধিনিষেধ বেঁধে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাস্তাঘাটে, দ
শেষ আপডেট: 4 October 2021 11:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্গাপুজোর সময়ে অক্টোবরেই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ মহল। সংক্রমণে লাগাম টানতে গত বছরের মতো এ বছরেও পুজোর সময় একগুচ্ছ বিধিনিষেধ বেঁধে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাস্তাঘাটে, দোকানে-বাজারে উচ্ছ্বসিত জনতার ভিড় যাতে আছড়ে না পড়ে তা দেখার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। আপাতত পুজো যতদিন চলবে ততদিন সমস্ত অফিসার ও ট্রাফিক সার্জেন্টদের ছুটি বাতিল করেছে লালবাজার (Lalbazar)।
রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় প্রভাব কমলেও তৃতীয় ঢেউয়ের চিন্তা বেড়েছে। অক্টোবর থেকে উৎসবের মরশুম শুরু হয়ে যাচ্ছে বাংলায়। এই সময় ভিড় বা জমায়েত এড়াতে না পারলে সংক্রমণ বাঁধভাঙা ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়বে বলবেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। হাই-রিস্কে আছে শিশুরা। তাই গোটা উৎসব পর্ব যাতে কোভিড বিধি মেনে নিরাপদেই সম্পন্ন হয় তার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে রাজ্য প্রশাসন। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে কলকাতা পুলিশকে। পুজোর কটা দিন রাস্তায়, থানায় বা ব্যারিকেডে অতন্দ্র প্রহরীর মতোই সজাগ থাকতে হবে পুলিশ কর্তাদের।
লালবাজার সূত্রে খবর, এসিপি পদমর্যাদার অফিসার ও ট্রাফিক সার্জেন্টদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। চতুর্থী থেকেই পুলিশ কর্মীরা নেমে পড়বেন রাস্তায়। যান নিয়ন্ত্রণ থেকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুই বিধি মেনে হবে।
গতবারের মতো এবারের পুজোতেই নানা বিধিনিষেধ বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। বড় পুজোর ক্ষেত্রে মণ্ডপের ভিতরে থাকতে পারবেন সর্বাধিক ৬০ জন। ছোট পুজোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ জন। যাঁরা মণ্ডপের ভিতরে থাকবেন তাঁদের মাস্ক ও ফেসশিল্ড বাধ্যতামূলক। সারাক্ষণ সঙ্গে রাখতে হবে স্যানিটাইজার। ছোট পুজোর প্যান্ডেলের বাইরে পাঁচ মিটার ও বড় পুজোর প্যান্ডেলের বাইরে দশ মিটার দূরে ব্যারিকেড রাখতে হবে। দর্শনার্থীরা মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না। হাঁটতে হাঁটতেই তাঁদের প্রতিমা দর্শন করতে হবে। মণ্ডপের বাইরে অনাবশ্যক ভিড় করা চলবে না। শুধু পুজো মণ্ডপ নয়, খাবারের দোকান, শপিং মল চত্বর, রেস্তোরাঁ কোথাও যাতে বাড়তি ভিড় না হয় তা খেয়াল রাখবেন পুলিশ কর্মীরা। পুজোর সময় যে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বরাবরই রাস্তায় দেখা যায় পুলিশ কর্মীদের। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না। বরং করোনার জন্য সতর্কতা আরও বেশি থাকবে বলেই লালবাজার সূত্রে জানা গেছে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'