
শেষ আপডেট: 17 August 2023 08:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বুধবার (৯ অগস্ট) রাতে যাদবপুরের মেন হস্টেলের (Jadavpur hostel) তিনতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। অভিযোগ ওঠে র্যাগিংয়ের। প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও। তাঁদের নজর এড়িয়ে এবং নিয়মের পরোয়া না করে কীভাবে দিনের পর দিন আইন ভেঙে প্রাক্তনীরা হস্টেলে পড়ে থাকতেন তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এবার এই বিষয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেল সুপার (Hostel Superintendent) দ্বৈপায়ন দত্ত।
আরও পড়ুন: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে রয়েছে মদের বোতল, কোনওদিন মেলে ১৫ কিলো, কোনওদিন ৩০ কিলো
প্রথমবর্ষের পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই ব়্যাগিং প্রসঙ্গে মুখ খুলতে শুরু করেছেন একাংশ পড়ুয়া। এবার এই ইস্যুতেই হস্টেল সুপারের খোলামেলা বক্তব্য, “হস্টেলের ঘরে-ছাদে র্যাগিং চলত, প্রাক্তনীদের প্রভাব ছিল।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ২ জন সুপার ৬০০ ছাত্রকে সামলাব কী করে?' অর্থাৎ হস্টেলে (Jadavpur hostel) ছাত্রদের নজরদারির ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রশাসনিক নজরদারি যে ছিল না, সুপারের বক্তব্যে সেটাও স্পষ্ট বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
সেই রাতে তিনতলা থেকে ছাত্র পড়ে যাওয়ার পর তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগও তুলেছেন একাংশ পড়ুয়া। এই প্রসঙ্গে হস্টেল সুপারের বক্তব্য, “৯ অগস্ট রাত ১২.০৭ নাগাদ আমাদের আর এক হস্টেল সুপার গৌতম মুখোপাধ্যায় আমাকে ফোন করে জানান যে আপনাদের কোনও একটা ব্লকে বারান্দা থেকে এক ছাত্র পড়ে গিয়েছেন। আমি যখন নীচে নামি ততক্ষণে ওই পড়ুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
হস্টেল চত্বরে কেন সিসিটিভি বসাতে দেওয়া হয়নি, তা নিয়েও অনুযোগ শোনা গিয়েছে সুপারের বক্তব্যে। প্রসঙ্গত, গত সোমবার স্বাধীনতা দিবসের প্রাক সন্ধেয় বেহালায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে যাদবপুর প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “ওখানে পুলিশ ঢুকতে দেয় না,. সিসিটিভি লাগাতে দেয় না। একটা আতঙ্কপুর হয়ে গেছে। যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত, আমি স্তম্ভিত, আমি মর্মাহত।”
আরও পড়ুন: যাদবপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু, মৃত পড়ুয়ার বাড়িও যাবেন শুক্রবার