
শেষ আপডেট: 17 December 2020 18:30
৭৮ বছরের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, প্রতিষেধক যে নিরাপদ তা প্রমাণ হওয়া দরকার। দরকার পড়লে ক্যামেরার সামনেও প্রতিষেধক নিতে তিনি তৈরি। সে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে সাংবাদমাধ্যমগুলিতে। আমজনতা যাতে বুঝতে পারেন টিকা নিরাপদ এবং জরুরি। করোনা টিকার প্রচারে আগ্রহ দেখিয়েছেন অন্য তিন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টও, বিল ক্লিন্টন, জর্জ বুশ ও বারাক ওবামা। তিনজনেই জানিয়েছেন, প্রকাশ্যে করোনার টিকা নিতে কোনও আপত্তি নেই তাঁদের। বরং সকলের সামনে টিকা নিয়ে দেশবাসীকে উৎসাহিত করতে চান তাঁরা। ভয় দূর করাই লক্ষ্য। তাহলেই করোনা অতিমহামারী ঠেকানো সম্ভব হবে।
গত রবিবার থেকেই ফাইজারের টিকার বিতরণ শুরু হয়ে গেছে আমেরিকায়। ইতিমধ্যেই ২ লক্ষের বেশি টিকার ভায়াল পৌঁছে গেছে হাসপাতালগুলিতে। এয়ার ট্রান্সপোর্টে মিশিগানে পৌঁছে গেছে টিকা। মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, একদিকে টিকার শিপমেন্ট চলবে, অন্যদিকে হাসপাতালগুলিতে টিকা দেওয়ার কাজ চলবে। এফডিএ কমিশনার স্টিফেন হান জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই আমেরিকায় প্রায় ২ কোটি মানুষকে টিকার ডোজ দেওয়া হবে। সবচেয়ে আগে বয়স্ক ও কো-মর্বিডিটির রোগীদের টিকা দেওয়া হবে। ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও থাকবেন অগ্রাধিকারের তালিকায়। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ঘনিষ্ঠদেরও টিকা দেওয়া হবে। তাছাড়া হোয়াইট হাউসের কিছু স্টাফ থাকছেন টিকার অগ্রাধিকারের তালিকায়।
ফাইজারের পাশাপাশি মোডার্নার টিকাতেও জরুরি ভিত্তিতে সায় দিতে পারে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তবে মোডার্নার টিকার ট্রায়াল নিয়ে নাকি সংশয় রয়েছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। যদিও এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের তরফে কিছু জানানো হয়নি। মোডার্না জানিয়েছে, আমেরিকাবাসীর জন্য ৮-১০ কোটি টিকার ডোজ তৈরি আছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।