Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহের

কলকাতার রাজপথ থেকে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম, পুজোয় দুঃস্থদের মুখে হাসি ফোটানোর উদ্যোগ

ফি-বারের মতো এবারও কলকাতার রাজপথের ভবঘুরে থেকে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে অবহেলিত শিশু, দুঃস্থ মানুষ ও বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ওরা।

 কলকাতার রাজপথ থেকে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম, পুজোয় দুঃস্থদের মুখে হাসি ফোটানোর উদ্যোগ

দুঃস্থদের নতুন পোশাক বিতরণ।

শেষ আপডেট: 29 September 2024 13:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শারদীয়ার আনন্দধারায় মেতেছেন ওরা।

ফি-বারের মতো এবারও কলকাতার রাজপথের ভবঘুরে থেকে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে অবহেলিত শিশু, দুঃস্থ মানুষ ও বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ওরা। ১১ পেরিয়ে এবারে ১২ বছরে পা দিল এই উদ্যোগ।

ওরা মানে শারদীয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। সমাজসেবা মূলক এই সংস্থার কর্মীরা প্রতি বছরের মতো এবারেও ১৫ অগস্ট থেকে নতুন জামাকাপড় ঝোলাবন্দি করে পুরুলিয়া, মেদিনীপুর-সহ রাজ্যের পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে অবহেলিত, অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন। এবারে ১২০০ মানুষের হাতে পুজোর নতুন পোশাক তুলে দিচ্ছেন তাঁরা। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী পর্যন্ত চলবে এই উপহার বিলি।

শুধুমাত্র পুজোর আগে নতুন জামাকাপড় দেওয়া নয়, পুজোর দিনগুলিতে সমাজের বিভিন্নস্তরের অবহেলিত মানুষের মুখে খাবারও তুলে দেন সংস্থার কর্মীরা।

সংস্থার অন্যতম কর্মকর্তা সৌমন সাহা বলেন “স্বার্থহীন সামাজিকতার এই দায়বদ্ধতাকে বয়ে নিয়ে যেতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই পূজোর খরচ একটু বাঁচিয়ে এইসব অবহেলিত মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটানোর উদ্যোগ।"

তিনি এও বলেন, শুধুমাত্র একটা জামাকাপড় দিয়ে বা একবেলা কাউকে খাইয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না । তাই 'বিদ্যারত্ন স্কলারশিপ' নামে একটি প্রকল্প চালু করে আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় সাহায্য করছি। যাতে তাঁরাও ভবিষ্যতে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের এবং সমাজের পাশে দাঁড়াতে পারে। 


```