দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষকে আশ্বস্ত করে উর্দু ভাষায় টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লোকসভায় ৩৭০ ধারা রদ করার পক্ষে বিল পাশ করার পরেই মোদী ওই দীর্ঘ টুইট করেন। কাশ্মীরি ও দেশের মুসলিমদের বড় একটা অংশ, যাঁরা উর্দুতে কথা বলেন, লেখেন, তাঁদের জন্যই মোদীর এই বার্তা টুইটে। উর্দুতে এই টুইটে মোদী যা লিখেছেন:
“আমরা একসঙ্গে আছি। আমরা একসাথে জেগে উঠব এবং একসাথে ১৩০ কোটি ভারতীয়ের স্বপ্ন পূরণ করব। জম্মু-কাশ্মীরের ঐতিহাসিক বিল বিরাট সমর্থন পেয়ে যখন পাশ করলো, সেটা ছিল আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের উপকার হবে।
আমি আমাদের জম্মু ও কাশ্মীরের ভাইবোনেদের অভিনন্দন জানাচ্ছি, তাঁদের সাহস ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। স্বার্থান্বেষী কিছু দল বছরের পর বছর ধরে সাধারণ মানুষকে তাঁদের আবেগ নিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে, তাঁদের প্রকৃত ক্ষমতা দেয়নি। আজ জম্মু ও কাশ্মীর তার থেকে মুক্ত।
https://twitter.com/narendramodi/status/1158755472372932608
জম্মু ও কাশ্মীর সংক্রান্ত বিলগুলি একতা ও ক্ষমতার পথ খুলে দেবে। জম্মু ও কাশ্মীরের যুবকদের জাতীয় মূলস্রোতে নিয়ে আসবে, তাদের মেধা, দক্ষতা ও ক্ষমতা সকলের সামনে তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে। স্থানীয় পরিকাঠামোয় তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আসবে।
লাদাখের জনসাধারণকে বিশেষ অভিনন্দন! কেন্দ্রীয় ভাবে শাসনের আওতায় আসার জন্য তাঁদের বহুদিনের দাবি পূর্ণ হলো, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে সমগ্র অঞ্চলের উন্নয়ন হবে ও নানা সুযোগ তৈরি হবে।
জম্মু ও কাশ্মীর বিলে এই অনুমোদনের মাধ্যমে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল যিনি ভারতের ঐক্যের জন্য নিরন্তর কাজ করে গেছেন, তাঁকে প্রকৃত শ্রদ্ধাজ্ঞাপন সম্ভব হলো। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন সম্ভব হলো বাবাসাহেব অম্বেডকরকেও, ৩৭০ ধারা নিয়ে যাঁর অভিমত সকলেরই জানা।
এবং ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতি এই শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হলো, যিনি তাঁর সমগ্র জীবন ভারতের একতা ও অখণ্ডতার জন্য উৎসর্গ করেছেন।
রাজনৈতিক দলগুলি এই বিলে তাদের সমর্থক জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাদের সচেতনতা প্রকাশ করেছে। বিরোধীদের অনেকে আদর্শগত ভাবে বিরোধিতা করে বিল বিতর্কে অংশ নিয়ে আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন।
এই জন্য আমি সব সাংসদদের, সমস্ত রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। .
জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ এটা জেনে গর্বিত হবেন যে সাংসদেরা তাঁদের বিভেদ ভুলে জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মুক্ত বিতর্কে অংশ গ্রহণ করেছেন। কাশ্মীরের শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিয়ে তাঁদের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।”