Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

বছরের পর বছর খাল পরিষ্কার হয় না, হাবড়ায় জলমগ্ন হাজারখানেক পরিবার

বেড়েই চলেছে জমা জল। আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ মাসের পর মাস খাল পরিষ্কার হয় না। তাতেই এই বিপত্তি।

বছরের পর বছর খাল পরিষ্কার হয় না, হাবড়ায় জলমগ্ন হাজারখানেক পরিবার

এলাকা পরিদর্শনে পঞ্চায়েত প্রধান

শেষ আপডেট: 29 September 2024 20:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা বৃষ্টিতে বেশ কিছুদিন ধরেই জলমগ্ন হাবড়া এক নম্বর ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রাম। প্রায় হাজারখানেক পরিবার এই পরস্থিতিতে বিপর্যস্ত। বেড়েই চলেছে জমা জল। আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ মাসের পর মাস খাল পরিষ্কার হয় না। তাতেই এই বিপত্তি।

পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, বেড়গুম দু'নম্বর পঞ্চায়েতের বড়পোল, জামতলা উত্তরপাড়া, সত্যনারায়ণ পল্লী, পালপাড়া, কাছারি বাড়ি মহেশ্য পাড়া ,মাঠপাড়া-সহ একাধিক এলাকা জলমগ্ন। এছাড়াও গনদ্বীপায়ন, প্রতাপনগর ও পায়রাগাছির বেশ কিছুটা অংশ বিপর্যস্ত হয়ে আছে। 

জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সেখানে গ্রামের মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েন তাঁরা। অভিযোগ উঠছে, এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ এসে পৌঁছয়নি। এলাকার বাসিন্দারা জানান, গ্রামের জল নিকাশির অবস্থা ভাল নয়। বছরের পর বছর ধরে তার সংস্কার হয় না। তাই জলধারণ ক্ষমতাও কমে গিয়েছে।

পাশাপাশি গ্রামবাসীদের অভিযোগ, খাল থেকে জল অন্যত্র যাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা পাচ্ছে। একটু বেশি বৃষ্টি হলেই ঘর-বাড়িতে জল উঠে আসছে। পঞ্চায়েত প্রধান ঝুমা ঘোষ বলছেন, ইতিমধ্যেই এলাকার স্কুলগুলোতে বেশ কয়েকটি পরিবারকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুত কীভাবে জল নামানো যায় সেটাও আলোচনা করা হচ্ছে। 

প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে কিছু জেলায় বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। উঁকি দিচ্ছে শরতের মেঘ। ২ দিন পরেই মহালয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেও  কলকাতা থেকে জেলা বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দিনের কখনও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে কখনও বা চড়া রোদ। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে। তবে আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।


```