
শেষ আপডেট: 13 July 2020 18:30
বিশাখাপত্তনমের জেলাশাসক ভি বিনয় চাঁদ বলেছেন, ইউনিটের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। কয়েকজন কর্মী সেই সময় ছিলেন ইউনিটের ভেতরে। একজনের জখম হওয়ার খবর মিলেছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা সুরক্ষিত আছেন।
জেলাশাসকের কথায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই ছুটে গিয়েছিল দমকলের ৯টি ইঞ্জিন। আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে ইউনিটের ভেতরে ঢোকা সম্ভব হচ্ছে না। নাইট শিফটের জন্য অনেক কর্মীই সোমবার রাতে ফার্মাসি ইউনিটে ছিলেন। তাঁদের কেউ আটকে পড়েছেন কিনা সেটা দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা। ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিটে কোস্টাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের প্রজেক্ট চলছিল বলে জানা গেছে। প্রচুর বর্জ্য পদার্থ, প্লাস্টিক জাতীয় বস্তু জমা ছিল বলেই ধারণা। দমকল সূত্রে খবর, দাহ্য পদার্থ বেশি পরিমাণে থাকায় আগুন বিধ্বংসী চেহারা নেয়। গোটা ইউনিটে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফার্মাসি ইউনিট লাগোয়া বাড়িগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
বিশাখাপত্তনমের দক্ষিণ শহরতলির বেঙ্কটপুরের গোপালপত্তনম এলাকার গ্যাস দুর্ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটেনি। প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শতাধিক মানুষ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্ষতিকর স্টাইরিন গ্যাসের প্রভাবেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এত মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্টাইরিন গ্যাস সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। ফলে অন্য কোনও গ্যাস লিক হয়েছে, যাতে মিশে ছিল স্টাইরিনের বাষ্প– এই সম্ভাবনাই জোরদার হচ্ছে ক্রমে। পুলিশ অবশ্য প্রাথমিক তদন্তের পরে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, লকডাউনের জেরে মার্চ থেকেই বন্ধ ছিল কারখানাটি। সেই সময় থেকেই একেবারেই দেখাশোনা করা হয়নি গ্যাসের ট্যাঙ্কগুলো। তার ফলেই এই কাণ্ড ঘটেছে। যদিও কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, কারখানা বন্ধ থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ চলছিল।