
শেষ আপডেট: 11 December 2020 18:30
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে ওই শিশুকন্যাটির বাবা সুভাষচন্দ্র পাণ্ডা দক্ষিণ পূর্ব রেলের ভিজিল্যান্স বিভাগের একজন কর্মী। ৪৪ বছরের সুভাষবাবু, শনিবার দিন সকাল ১১টা নাগাদ ১ বছরের মেয়েটিকে নিয়ে ফ্ল্যাটের ছাদে যান। আর তখনই ঘটে অঘটন। পরিবারের লোকেরা যদিও মনে করছেন যে ছাদে বাচ্চাটিকে নিয়ে লোফালুফি করে খেলছিলেন বাবা। আর তখনই হাত ফস্কে নীচে পড়ে যায় বাচ্চাটি। বাচ্চাটিকে বাঁচাতে গিয়েই প্রাণ যায় সুভাষবাবুর। মেয়েকে বাঁচাতে ছাদ থেকে নীচে ঝাঁপ দেন তিনি। ফ্ল্যাটের নীচে পড়ে যান সুভাষবাবু! তড়িঘড়ি করে হসপিটালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
অনেক খোঁজার পরে বাচ্চাটিকে পাওয়া যায় ফ্ল্যাটের ওপারে অন্য একটি বাড়ির বাগান থেকে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখান থেকে রেফার করে দিলে বাচ্চাটিকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হসপিটালে।
পর্ণশ্রীর গোটা এলাকাতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সুভাষবাবুর প্রতিবেশীরা এমন ঘটনার জন্য শোকে মর্মাহত হয়ে রয়েছেন। অনেকেরই মুখে কোনও কথা নেই! বাবার সঙ্গে খেলা করতে করতেই যে এমন দুর্ঘটনা ঘটবে, এমনটা কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেন নি। পুলিশ জানিয়েছে যে ঘটনাটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের সকলেই বাকরুদ্ধ হয়ে রয়েছেন। শিশুটির মা শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন। যদিও পরিবারের মানুষজন থেকে পাড়াপ্রতিবেশী সকলেই প্রার্থনা করেছেন যে ওই ১ বছরের পুঁচকি মেয়েটা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে।