Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

ক্লাসরুম ফাঁকা, জামিয়া ও আলিগড়ের ছাত্রদের সমর্থনে পথে মুম্বইয়ের ছাত্ররা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লি, আলিগড়, লখনউয়ের পরে মুম্বই। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে ছাত্র বিক্ষোভের ঢেউ পৌঁছল আরব সাগরের তীরেও। সোমবার শহরের টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ক্লাস ছিল ফাঁকা। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০-র বেশি ছাত্র

ক্লাসরুম ফাঁকা, জামিয়া ও আলিগড়ের ছাত্রদের সমর্থনে পথে মুম্বইয়ের ছাত্ররা

শেষ আপডেট: 16 December 2019 08:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লি, আলিগড়, লখনউয়ের পরে মুম্বই। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে ছাত্র বিক্ষোভের ঢেউ পৌঁছল আরব সাগরের তীরেও। সোমবার শহরের টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ক্লাস ছিল ফাঁকা। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০-র বেশি ছাত্র এদিন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেন। অন্যান্য শিক্ষায়তনের ছাত্রছাত্রীরাও বিক্ষোভ দেখাতে পথে নামে। দেশের বাণিজ্য নগরীতে দেখা যায় বিরাট ছাত্রমিছিল। মিছিলকারীদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, 'আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক নই', 'ছাত্রদের ঐক্য মোদী-শাহের ঐক্যের চেয়ে বেশি শক্তিশালী'। বিক্ষোভকারীদের পক্ষে কপিল নামে এক ছাত্র জানান, "আমরা নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের বিরুদ্ধে মিছিল করছি। জামিয়া, আলিগড় এবং উত্তর-পুর্বের বহু ছাত্র এই আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশি দমনপীড়নের শিকার হয়েছেন। পুলিশ বেছে বেছে মুসলিম ছাত্রদের আক্রমণ করছে।" পরে তিনি বলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দিল্লি পুলিশের লজ্জা পাওয়া উচিত। এভাবে আমাদের চুপ করানো যাবে না।" টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ছাত্ররা বলেন, তাঁদের দু'টি দাবি আছে। প্রথমত নতুন নাগরিকত্ব আইন বাতিল করতে হবে। দ্বিতীয়ত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তৈরি করার প্রক্রিয়াও বন্ধ করতে হবে। কারণ তা সংবিধানের মূল নীতির বিরোধী। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় শুক্রবার থেকে আন্দোলনে নামেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার পড়ুয়ারা। রবিবার তা চরম আকার ধারণ করে। এদিন নিউ ফ্রেন্ড কলোনিতে প্রথমে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মথুরা রোড-সহ একাধিক রাস্তা অবরূদ্ধ হয়ে যায় বিক্ষোভের জেরে। যান চলাচলের উপরে তীব্র প্রভাব পড়ে। কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভে প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায় রাজধানী। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাকানিচোবানি খেতে হয় পুলিশকে। শেষমেশ লাঠিচার্জ থেকে কাঁদানে গ্যাস— বাদ পড়েনি কিছুই। রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও শুরু হয়ে যায় পুলিশের। এর পরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। বিকেলে, পুলিশের তাড়া খেয়ে ছাত্ররা ঢুকে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে। এর পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু ‘বহিরাগত’কে এদিন গ্রেফতার করে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েও তুঙ্গে পৌঁছায় অশান্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে জমায়েত হওয়া কয়েকশো প্রতিবাদী ছাত্রের উপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও। চালানো হয় জলকামান। লখনউয়ের নাদওয়া কলেজের ছাত্ররাও রবিবার রাত থেকেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। রাতে পুলিশ কোনওরকমে বিক্ষোভ সামাল দেয়। সোমবার সকাল থেকে ফের শুরু হয় অশান্তি।

```