Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

নগরোন্নয়নে জোর, রাজ্যজুড়ে সাড়ে ৬০০ কোটির প্রকল্পে সবুজ-পরিকাঠামোর ছোঁয়া

প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “এই প্রকল্পে প্রতিটি শহরবাসী প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। নগর জীবনের মান বাড়াতেই রাজ্যের এই পদক্ষেপ।”

নগরোন্নয়নে জোর, রাজ্যজুড়ে সাড়ে ৬০০ কোটির প্রকল্পে সবুজ-পরিকাঠামোর ছোঁয়া

প্রতীকী ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 25 October 2025 13:36

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষা কাটতেই রাজ্যজুড়ে পুরসভা এলাকাগুলির পরিকাঠামোগত মানোন্নয়নে জোর। পানীয় জল সরবরাহ, আধুনিক নিকাশি ব্যবস্থা, সবুজায়ন ও নাগরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার নগরোন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে রাজ্য সরকার। অর্থ দফতরের সবুজ সঙ্কেত ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। ডিসেম্বরের মধ্যেই বরাদ্দের অর্থ কাজে লাগানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রকল্পের মূল জোর বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ পৌঁছে দেওয়া এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে। পাশাপাশি, বিভিন্ন পুর এলাকায় নতুন পার্ক নির্মাণ ও পুরনো পার্কগুলির সংস্কার, রাস্তা-ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং সবুজ পরিকাঠামোয় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। 

প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “এই প্রকল্পে প্রতিটি শহরবাসী প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। নগর জীবনের মান বাড়াতেই রাজ্যের এই পদক্ষেপ।”

অন্য দিকে, কেন্দ্রের ‘অম্রুত’ প্রকল্পে রাজ্যের প্রাপ্ত বরাদ্দ তুলনায় নগণ্য। ১০ লক্ষের বেশি জনসংখ্যার পুরসভার ক্ষেত্রে কেন্দ্র দিচ্ছে মোট খরচের মাত্র ২৫ শতাংশ, ১০ লক্ষের নীচে হলে ৩৩.৩৩ শতাংশ, আর এক লক্ষের কম জনসংখ্যার পুরসভা পায় ৫০ শতাংশ অর্থ। ফলে প্রকল্পের অধিকাংশ ভারই বইতে হচ্ছে রাজ্যকে। সম্প্রতি নগরোন্নয়ন ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোগের প্রশংসা করে দিল্লি অম্রুত প্রকল্পে ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কিন্তু সেই তুলনায় রাজ্যকে খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, “কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ যতই সীমিত হোক, রাজ্য নিজস্ব উদ্যোগে নাগরিক পরিষেবা উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। শহরের জল, আলো, ড্রেনেজ—সব ক্ষেত্রেই টেকসই উন্নয়নের দিকেই নজর।”

ফলে বর্ষা-পরবর্তী মরসুমে রাজ্যের সর্বত্র নতুন সাজে সেজে উঠতে চলেছে পুরসভাগুলি। শুধু নিকাশি বা রাস্তা নয়, সবুজ শহরের স্বপ্নকেও বাস্তবের পথে নিয়ে যেতে পারে সরকারের এই উদ্যোগ। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বছর ঘুরলেই ভোট। তাই নাগরিকদের মন পেতে এই তৎপরতা।


```