Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি‘অপরাধ’ বাংলায় কথা বলা! ভোটের মুখে ওড়িশায় ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে আটক মালদহের ১৭ পরিযায়ী শ্রমিক'এটা কাটতে পারব না', জাতীয় পতাকার রঙের ফিতে দেখে পিছু হটলেন ওমর, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নেটপাড়া‘সবচেয়ে অসুখী বোধ করছিলাম, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায় পুকুর চুরির মতো ব্যাপার ঘটছিল বলে’প্রকাশিত সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলাফল! পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের, শীর্ষে কোন শহর? নববর্ষে পারিবারিক সেলিব্রেশন, তার মাঝেই ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির প্রার্থনা অপরাজিতারনববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প

উষ্ণতম জুন মাসের সাক্ষী হল পৃথিবী, বলছে নাসা! পিছিয়ে নেই জুলাইও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এর আগে এত উষ্ণ জুন মাস কখনও দেখেনি পৃথিবী। গত ৬৮ বছরের তথ্য ছানবিন করে এমনটাই জানা গেছে বলে দাবি করল নাসা। নাসা জানিয়েছে ১৯৫১ থেকে ’৮০, এই তিন দশকে জুন মাসের তাপমাত্রাকে মাপকাঠি হিসেবে ধরে দেখা গিয়েছে, এই বছর অর্থাৎ ২০১৯ স

উষ্ণতম জুন মাসের সাক্ষী হল পৃথিবী, বলছে নাসা! পিছিয়ে নেই জুলাইও

শেষ আপডেট: 17 July 2019 11:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এর আগে এত উষ্ণ জুন মাস কখনও দেখেনি পৃথিবী। গত ৬৮ বছরের তথ্য ছানবিন করে এমনটাই জানা গেছে বলে দাবি করল নাসা। নাসা জানিয়েছে ১৯৫১ থেকে ’৮০, এই তিন দশকে জুন মাসের তাপমাত্রাকে মাপকাঠি হিসেবে ধরে দেখা গিয়েছে, এই বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের জুন মাসে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা যা থাকা উচিত, সদ্য শেষ হওয়া জুন মাসের গড় তাপমাত্রা ছিল তার চেয়ে ০.৯৩ ডিগ্রি অর্থাৎ প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস উপরে। যা এই প্রথম তো বটেই, সেই সঙ্গে অত্যন্ত আশঙ্কাজনকও বটে। তবে ২০১৬ সালেও অস্বাভাবিক তাপমাত্রায় পুড়ে যাওয়া জুনের আগেও এক বার দেখেছিল পৃথিবী। কিন্তু সে বার জুনের গড় তাপমাত্রা ছিল যা উচিত তার চেয়ে ০.৮২ ডিগ্রি সেলসিয়াস উপরে। এ বছরের জুনের তাপমাত্রা সেই রেকর্ডও ভেঙে দিল। তবে নাসা প্রথম নয়। এর আগে প্রায় একই কথা জানিয়েছিল ইউরোপের ‘কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস’। নাসা বলছে, জুন মাসের এই অস্বাভাবিক তাপমাত্রার জন্য মূলত দায়ী, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের ঐতিহাসিক তাপপ্রবাহ। জুন মাসের শেষ সপ্তাহে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে যে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ঘটেছে, গত কয়েক শতকে গোটা বিশ্বে এই সময়ে এমন হয়নি। ফ্রান্সের তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ২০০৩-এর জুলাইয়েও ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ হয়েছিল ফ্রান্সে। তবে এ বারের তাপমাত্রা ছিল তার চেয়েও উপরে। তাপপ্রবাহ ছাড়াও, গোটা মেরুপ্রদেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বরফ গলে যাওয়া এবং সেই সঙ্গে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি এই বিপজ্জনক অবস্থার কারণ বলে জানিয়েছে নাসা। তবে নাসা জুনের খতিয়ান দিলেও, জুলাই কিন্তু মোটেও পিছিয়ে নেই গরমের দিক থেকে। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির জলবায়ু বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যান টুইট করেছেন, ‘‘এই জুলাই মাসটি যদি আমাদের হিসেবে থাকা বছরগুলির মধ্যে উষ্ণতম জুলাই হয়ে ওঠে (যা হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্টই), তা হলে এই মাসটিই হবে এখনও পর্যন্ত আমাদের রেকর্ডে থাকা পৃথিবীর উষ্ণতম মাস।’’ কলকাতাও পিছিয়ে নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গত এক দশকে এত উষ্ণ জুলাই মাস দেখেনি এই শহর।সোমবার দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৭। এ বছর এখনও পর্যন্ত জুলাই মাসের এটাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। শেষ বার এমন হয়েছিল ২০০৫ সালের ৫ জুলাই। সে দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। তবে ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই এখনও পর্যন্ত সব থেকে গরম পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। সে দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৯ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড।

```