
শেষ আপডেট: 12 July 2022 12:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী বছরের নভেম্বরে রাজস্থান ও ছত্তীসগড় বিধানসভার ভোট। কংগ্রেস (Congress) গোটা দেশে ওই দুটি মাত্র রাজ্যে ক্ষমতায় আছে। ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot) ও ভূপেশ বাঘেলকে (Bhupesh Baghel) নিজের রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াই শুরু করার আগে গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশে দলকে ক্ষমতায় ফেরাতে গা ঘামাতে হবে। মঙ্গলবার এআইসিসি গেহলটকে গুজরাত এবং ভূপেশকে হিমাচল প্রদেশের সিনিয়র পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। এ বছরের শেষে ওই দুই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। রাজস্থান ও ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরাই গুজরাত ও হিমাচলে প্রার্থী বাছাই, দলের প্রচার কৌশল, নির্বাচনী ইস্তেহার চূড়ান্ত করতে শেষ কথা বলবেন। তাঁরা সরাসরি রিপোর্ট করবেন দলনেত্রী সনিয়া গান্ধীকে।
গুজরাতে কংগ্রেসের শক্তি নেহাত কম নয়। কিন্তু ঘরোয়া দ্বন্দ্বে দল জেরবার। ওয়াকিবহাল মহলের খবর, প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে গ্রাম এলাকায় এখনও বিজেপি পুরোপুরি নিজেদের কর্তৃত্ব কায়েম করতে পারেনি।
রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী প্রবীণ নেতা গেহলট কংগ্রেসে ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসাবে পরিচিত। তাঁকে সেখানে প্রধান পর্যবেক্ষক করে পাঠানোর প্রধান কারণ যাতে সব গোষ্ঠীকে এক মঞ্চে সামিল করা যায়।
নিজের রাজ্যে বিধানসভা ভোটের লড়াই শুরুর আগে ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে হিমাচল প্রদেশের ভোট। তিনিও সেখানে কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষকের ভার সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করবেন রাজস্থানের মন্ত্রী সচিন পাইলট।
কেন দুই মুখ্যমন্ত্রীকে দুই রাজ্যের ভোটের প্রধান কাণ্ডারি করলেন সনিয়া গান্ধী? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দু'জনেই গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত আস্থাভাজন। তাঁদের কাজকর্ম নিয়ে বড় কোনও অভিযোগ নেই। সংগঠক হিসাবেও দুজনের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে।
কংগ্রেসের কাছে রাজস্থান ও ছত্তীসগড়ে ক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপশি মুখরক্ষার স্বার্থে গুজরাত ও হিমাচলে ক্ষমতায় ফেরা জরুরি। গুজরাতে তারা প্রায় ২৫ বছর ক্ষমতায় নেই। হিমাচলে বহু বছর বিজেপি ক্ষমতায়। যদিও দুই রাজ্যেই কংগ্রেসের শক্তি নেহাত কম নয়।