Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটির

মাছ বিক্রির টাকায় পুজোর খরচ ওঠে, ঔরঙ্গজেবের আমলে শুরু হয় রায়ান গ্রামের চৌধুরীদের পুজো

বৈদিক মতে দেবীর পুজো করে আসছেন তাঁরা। মেনে চলা হয় গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকার নির্ঘন্ট। এই পুজোর জন্য পুরোহিত, ঢাকি, নাপিত, কিংবা ফুলের জোগানদারদের আলাদা করে ডাকতে হয় না। তাদের জমি দান করা আছে। বছরের পর বছর ধরে বংশপরম্পরায় নিজেরাই সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। অগ্রদানী দিয়ে যান গামছা।  

মাছ বিক্রির টাকায় পুজোর খরচ ওঠে, ঔরঙ্গজেবের আমলে শুরু হয় রায়ান গ্রামের চৌধুরীদের পুজো

শেষ আপডেট: 20 October 2023 15:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: তখন মোঘল শাসন চলছে। দিল্লির তখতে ঔরঙ্গজেব। সেই সময় সূচনা হয় বর্ধমানের বর্ধিষ্ণু গ্রাম রায়ানের। ওই সময় থেকে চৌধুরীরা এসে এখানে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন।

এই পরিবারের সদস্য বিশ্বেশ্বর চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈদিক মতে দেবীর পুজো করে আসছেন তাঁরা। মেনে চলা হয় গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকার নির্ঘন্ট। এই পুজোর জন্য পুরোহিত, ঢাকি, নাপিত, কিংবা ফুলের জোগানদারদের আলাদা করে ডাকতে হয় না। তাদের জমি দান করা আছে। বছরের পর বছর ধরে বংশপরম্পরায় নিজেরাই সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। অগ্রদানী দিয়ে যান গামছা।  

বিশ্বেশ্বরবাবু আরও জানিয়েছেন, রথের দিন কাঠামো পুজো হয়। এরপরেই শুরু হয় প্রতিমা তৈরির কাজ। মহালয়ায় চক্ষুদানের পর প্রতিমার গায়ে পড়ে রঙের প্রলেপ। পুজোয় যাতে ব্যাঘাত না হয় সে ব্যবস্থাও করে গিয়েছেন চৌধুরীদের পূর্ব পুরুষেরা। পরিবারের স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে একটি পুকুর রয়েছে। সেই পুকুরের মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে পুজোর খরচ উঠে যায়। 

বলি প্রথা থাকলেও ষাট বছর আগেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নবমীতে বিশেষ ভোগের আয়োজন হয়। বর্তমানে এই পরিবারে আশিজন সদস্য রয়েছেন। পুজোর কদিন সবাই এখানে আসেন। পুজোর সময় লোকজনে গমগম করে গোটা বাড়ি।


```