Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

বৃদ্ধা সেজে শবরীমালা মন্দিরে ঢুকলেন কেরলের মহিলা সমাজকর্মী

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কমবয়সী মহিলাদের শবরীমালা মন্দিরে ঢোকা নিয়ে কিছুদিন আগেই ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল কেরলে। তাতে প্রাণও গিয়েছে একজনের। এর মধ্যে ৩৬ বছর বয়সী এক মহিলা দাবি করলেন, তিনি ঢুকেছিলেন শবরীমালা মন্দিরে। ‘রেনেসাঁস কেরল টুওয়ার্ডস শবরীমালা’

বৃদ্ধা সেজে শবরীমালা মন্দিরে ঢুকলেন কেরলের মহিলা সমাজকর্মী

শেষ আপডেট: 10 January 2019 08:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কমবয়সী মহিলাদের শবরীমালা মন্দিরে ঢোকা নিয়ে কিছুদিন আগেই ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল কেরলে। তাতে প্রাণও গিয়েছে একজনের। এর মধ্যে ৩৬ বছর বয়সী এক মহিলা দাবি করলেন, তিনি ঢুকেছিলেন শবরীমালা মন্দিরে। ‘রেনেসাঁস কেরল টুওয়ার্ডস শবরীমালা’ এক সংগঠন এই দাবির সমর্থনে ফেসবুকে কয়েকটি ভিডিও এবং স্টিল ফটো পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে মহিলার চুলের রং সাদা। তাঁকে বেশ বয়স্ক মনে হচ্ছে। তিনি চুলে রং করে বৃদ্ধা সেজেছেন যাতে ভক্তরা বাধা না দেয়। যে মহিলা ছদ্মবেশে শবরীমালা মন্দিরে ঢুকেছিলেন বলে দাবি করেছেন, তাঁর নাম মঞ্জু। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্জু বলছেন, গত ৮ জানুয়ারি শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করেছিলাম। আমি ত্রিচুর থেকে বাসে মন্দির অবধি গিয়েছিলাম। পথে কোনও বাধার মুখে পড়িনি। কমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও মন্দিরে ঢুকছি বলে কেউ আপত্তি করেনি। মন্দিরের মধ্যে প্রায় দু’ঘণ্টা ছিলাম। প্রথামতো দেবতার পূজা করেছি। একটি সূত্রের খবর, মঞ্জু মন্দিরে ঢোকার জন্য পুলিশের সাহায্য চাননি। তিনি গত অক্টোবরেও মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পম্বায় পৌঁছনোর পরে পুলিশ তাঁকে বলে, এখন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে মন্দিরে না যাওয়াই ভালো। তিনি তখন ফিরে আসতে বাধ্য হন। দীর্ঘকাল ধরে শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। গতবছর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, ওই নিষেধাজ্ঞা অসাংবিধানিক। তারপরেই একাধিক মহিলা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেন। প্রথমে ভক্তদের বাধায় পিছিয়ে এলেও পরবর্তীকালে কয়েকজন মহিলা মন্দিরে ঢুকেছেন বলে জানা যায়। সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ঠিক কতজন মহিলা ওই মন্দিরে ঢুকেছেন? মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, নির্দিষ্ট সংখ্যা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। একটি রিপোর্টে জানা যায়, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন মহিলা মন্দিরে ঢুকেছেন। বিজয়ন এসম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। প্রথম যে দুই মহিলা মন্দিরে ঢুকেছিলেন, তাঁদের নাম বিন্দু ও কনক দুর্গা। তাঁদের বয়স ৪০-এর কোটার শুরুর দিকে। এখনও তাঁরা আত্মগোপন করে আছেন। বিন্দু এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি সাংবিধানিক অধিকারে বিশ্বাস করি। মহিলা হিসাবে নিজের অধিকার প্রয়োগ করে আমি শবরীমালা মন্দিরে ঢুকেছিলাম। কনক দুর্গা বলেন, আমার পরিবার মন্দিরে ঢোকার বিরোধী ছিল। কিন্তু আমি আয়াপ্পান দেবতার ভক্ত। আমরা দু’জন মন্দিরে ঢুকে অন্য কমবয়সী মেয়েদের ঢোকা সহজ করে দিয়েছি।

```