
শেষ আপডেট: 8 November 2022 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দুই কংগ্রেস বিধায়কের (Congress MLA) কাছ থেকে বেহিসাবি অর্থ লেনদেন এবং বিনিয়োগের খোঁজ পেল আয়কর বিভাগের (Income Tax) আধিকারিকরা। জানা গেছে, এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, এঁদের সঙ্গে অবৈধভাবে কয়লা ও লোহা বিক্রিরও যোগ রয়েছে। গোটা ঝাড়খণ্ড জুড়েই এই কর্মকাণ্ড চলত বলে অভিযোগ উঠছে।
সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) জানিয়েছে, 'গত ৪ নভেম্বর রাঁচি, দুমকা, জামশেদপুর, পাটনা, গোড্ডা, বারমো, চাইবাসা, গুরুগ্রাম এবং কলকাতার প্রায় ৫০টি এলাকায় এই ঘটনার তদন্তে তল্লাশি চালানো হয়।' সেইসময়েই তদন্তে উঠে আসে ওই দুই কংগ্রেস নেতার নাম। তাঁরা হলেন অরূপ সিং এবং প্রদীপ যাদব।
অরূপ সিং ওরফে কুমার জয়মঙ্গল বারমোর কংগ্রেস বিধায়ক। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানান, ইনকাম ট্যাক্স তাঁর রাঁচির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে এবং তিনি তদন্তকারী অফিসারদের সমস্ত বিষয়ে সহযোগিতা করেছেন। অন্যদিকে জেভিএম-পি ভেঙে যাওয়ার পর কংগ্রেসে যোগদান করেন আরও এক বিধায়ক প্রদীপ যাদব। তিনি পোরিয়াহাট কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করেন। এই দুই নেতার বাড়ি থেকে দু'কোটিরও বেশি নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানা গেছে, এখনো পর্যন্ত নগদে ১০০ কোটিরও বেশি বেহিসাবি লেনদেনে দু’জনের নাম জড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসেই হাওড়া থেকে ঝাড়খণ্ডের এক কংগ্রেস বিধায়কের গাড়িতে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনায় সেইসময় আটক করা হয় ওই রাজ্যের ৩ কংগ্রেস বিধায়ককে। তাঁদের নাম রাজেশ কচ্ছপ, নমন বিক্সল কোঙারি এবং ইরফান আনসারি। সেই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই জোর চাঞ্চল্য ছড়ায় জাতীয় রাজনীতিতে। ঝাড়খণ্ডে সরকার ফেলতে সেইসময় বিধায়ক কেনাবেচার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তৃণমূলের দেবাংশু ভট্টাচার্য।
অ্যারোসল দূষণে রেড জোনে পশ্চিমবঙ্গ, ২০২৩ সালে কী বিপদ আসছে জানালেন বোস ইনস্টিটিউটের গবেষকরা