দ্য ওয়াল ব্যুরো : সংসদের বাজেট অধিবেশনের আগে আমেরিকায় চিকিৎসার জন্য গিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তাঁর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়েছে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, জেটলিজির এই কঠিন সময়ে আমরা তিনি ও তাঁর পরিবারের পাশে ১০০ শতাংশ আছি।
গত বছরেই জেটলির কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছিল। তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জানিয়েছেন, ৬৬ বছরের জেটলি ‘রেগুলার মেডিকেল চেক আপের’ জন্য আমেরিকায় গিয়েছেন। কিন্তু অন্য একটি সূত্রে খবর, তাঁর অস্ত্রোপচার হতে পারে। কারণ তাঁর থাইয়ে সফট টিস্যু ক্যানসার ধরা পড়েছে। ওই ধরনের ক্যানসার শীঘ্র শরীরে ছড়িয়ে যায়।
রাহুল গান্ধী টুইটে লিখেছেন, অর্থমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে শুনে আমরা আঘাত পেয়েছি। তাঁর সঙ্গে আমাদের রোজ লড়াই হয়। আমরা তাঁর ধ্যানধারণার বিরোধী। কিন্তু এখন আমার ও কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে তাঁকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা পাঠাচ্ছি। আমরা চাই তিনি দ্রুত সেরে উঠুন।
https://twitter.com/RahulGandhi/status/1085518016224378881
একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, জেটলি এই সপ্তাহের শেষে ফিরতে পারেন। তাঁর মন্ত্রকের দায়িত্বও বিকল্প কাউকে দেওয়া হয়নি। এর আগে জেটলি যখন কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য তিন মাস বিদেশে গিয়েছিলেন, তখন অস্থায়ীভাবে তাঁর দায়িত্ব সামলেছিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, এবারও কি তিনি জেটলির মন্ত্রকের দায়িত্ব নিতে চলেছেন? তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান।
বিজেপি নেতাদের মধ্যে জেটলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন একমাত্র মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি টুইটারে লিখেছেন, বড়ভাইয়ের শরীর খারাপ শুনে খুব উদ্বিগ্ন হয়েছি। জেটলির বিরোধীপক্ষের যাঁরা টুইট করেছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা, কংগ্রেসের সলমন খুরশিদ এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদব।
ওমর আবদুল্লা বলেন, আমি, আমার বাবা ও জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্সের সকলে চাই, তিনি দ্রুত সেরে উঠুন, দেশে ফিরে আসুন। সলমন খুরশিদ বলেন, জেটলিজি সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। লালুপ্রসাদ যাদব বলেছেন, জেটলিজির দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।
https://twitter.com/OmarAbdullah/status/1085495751990566918
জেটলির অসুস্থতার কথা জানাজানি হওয়ার আগে মঙ্গলবারও তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে ফেসবুকে মন্তব্য পোস্ট করেন। তিনি বলেন, বিরোধীরা যে জোট বানাচ্ছেন, তা কতদিন টিকবে সেই নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে।