Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

আর্জেন্টিনা ফুটবলের অন্যতম স্থপতি, বিশ্বকাপজয়ী কোচ সিজার মেনোত্তির জীবনাবসান

মেনোত্তি ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের স্থপতি। তিনি মাঝমাঠে পাঁচজনকে রেখে খেলার প্রচলন করেছিলেন। তিনি দলের কম্বিনেশন গঠন করতেন ত্রিভুজাকৃতি। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি ছিলেন আধুনিকমনস্ক কোচ।

আর্জেন্টিনা ফুটবলের অন্যতম স্থপতি, বিশ্বকাপজয়ী কোচ সিজার মেনোত্তির জীবনাবসান

আর্জেন্টিনা কোচ সিজার লুই মেনোত্তির জীবনাবসান।

শেষ আপডেট: 6 May 2024 14:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর্জেন্টাইন ফুটবলের অন্যতম পুরোধা, যিনি মারাদোনার দেশে এনেছিলেন টোটাল ফুটবলের ছোঁয়া। সেই কিংবদন্তি বিশ্বকাপজয়ী কোচ সিজার লুই মেনোত্তির জীবনাবসান ঘটেছে। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। গত কয়েকমাস ধরে রক্তাপ্লতায় ভুগছিলেন। অবশেষে জীবনের মাঠ থেকে বিদায় ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন কোচ।

সিজার মেনোত্তি মানে একটা মিথ। তিনি ছিলেন কোচদের কোচ। তাঁর কোচিং ম্যানুয়াল পরবর্তীকালে আর্জেন্টিনা ফুটবলে বহন করেছিলেন কার্লোস বিলার্ডো, আলেজান্দ্রো সাবেলারা।

মেনোত্তি কোচিং করিয়েছেন বোকা জুনিয়র্স, ব্রাজিলের স্যান্টোস ও নিউ ওল্ড বয়েজ ক্লাবগুলিতে। শুধু তাই নয়, বার্সেলোনার কোচ হিসেবে জিতেছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এমনকী ১৯৮৩ সালে কোপা দেল রে খেতাবও পান স্প্যানিশ ক্লাবের হেডস্যার হিসেবে।

মেনোত্তি ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের স্থপতি। তিনি মাঝমাঠে পাঁচজনকে রেখে খেলার প্রচলন করেছিলেন। তিনি দলের কম্বিনেশন গঠন করতেন ত্রিভুজাকৃতি। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি ছিলেন আধুনিকমনস্ক কোচ। যিনি আমৃত্যু ফুটবলের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। বর্তমানে ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের ডিরেক্টর। তাঁকে বিজ্ঞানী কোচও বলা হতো।

১৯৭৮ সালে মারিও কেম্পেসের যে আর্জেন্টিনা দলটি ৩-১ গোলে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছিল, সেই দলের কোচ ছিলেন মেনোত্তি। যিনি রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকা মানে ছিল বিপক্ষ দলের শিরঃপীড়ার কারণ। কারণ মেনোত্তির মাথায় কিলবিল করত নানা ফুটবল ছক। প্ল্যান এ না কাজ করলে বি কিংবা সি প্ল্যানে বাজিমাত করে যেতেন এই অভিজ্ঞ কোচ।

মেনোত্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘আমাদের দেশের ফুটবলের এক দুঃখজনক দিন। মেনোত্তি শুধু দেশের বিশ্বকাপজয়ী কোচই ছিলেন, তাই নয়। তিনি ছিলেন আমাদের ফুটবলের একজন প্রকৃতঅর্থের অভিভাবক।’’

আরও একটি তাৎপর্যের বিষয়, মেনোত্তি ছিলেন মারাদোনার আরও একজন ফুটবল শিক্ষাগুরু। তিনি যখন বোকা জুনিয়র্সের কোচ ছিলেন, সেইসময় মারাদোনা ছিলেন একজন জুনিয়র ফুটবলার। তাঁকে তিনি পজিটিভ স্ট্রাইকার করে দিয়েছিলেন। শুধুই কী মারাদোনা, সিজার মেনোত্তির হাত ধরে উঠে এসেছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের বহু মহানক্ষত্র।  


```