
ভারত বনাম পাকিস্তান
শেষ আপডেট: 24 April 2025 14:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাবি উঠেছিল পাকিস্তানকে (Pakistan) বয়কট করতে হবে। আর সেটা ক্রিকেট নয়, সমস্ত খেলাধুলোর ময়দান থেকে। আওয়াজ তুলেছিলেন খেলোয়াড় ও সমর্থকদের একাংশ। এবার সেই দাবিকেই মান্যতা দিল বিসিসিআই (BCCI)। পহেলগামে নৃশংস জঙ্গিহানার (Pahelgam Terror Atack) আবহে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানাল, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ (Bilateral Series) আয়োজিত হবে না।
উল্লেখ্য, টিম ইন্ডিয়া (India) শেষ পাকিস্তান সফরে গেছিল ২০০৮ সালে। আর পাক ক্রিকেটাররা দ্বিদেশীয় ক্রিকেট খেলতে ভারতের মাটিতে শেষ পা রাখেন ২০১২-তে। তারপর থেকে আইসিসি টুর্নামেন্টে (ICC Events) সামনাসামনি হলেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নামেনি দু’দেশের ক্রিকেট টিম। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপেও ভারতে এসেছিল পাক দল। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। উল্টে যত দিন গড়িয়েছে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজনের বরাত পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু বিসিসিআই সাফ জানায়, নিরাপত্তাজনিত অসুবিধার কারণে বিরাট, রোহিতরা পড়শি মুলুকে যাবেন না।
এই রেষারেষির সম্পর্ক পহেলগামে হত্যালীলার জেরে যে জটিলতর হবে, সেটা গতকালই আন্দাজ করা গেছিল। বিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লার মন্তব্য তাতে চূড়ান্ত সিলমোহর দিয়েছে। রাজীব বলেছেন, ‘আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি এবং এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সরকার যেটা বলবে, সেটাই করব। সরকারি নীতির কারণেই আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলি না। আগামী দিনেও খেলব না। যদিও আইসিসির সঙ্গে চুক্তির শর্ত মেনে আইসিসি টুর্নামেন্টে খেলতে হবে। এই বিষয়ে আইসিসিও অবগত রয়েছে।‘
বিসিসিআই সেক্রেটারি দেবজিৎ সাইকিয়ার বক্তব্যেও একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘পহলগামে জঙ্গি হানায় নিরীহ নাগরিকদের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানাতে চাই। অসমসাহসী, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, যারা স্বজনহারা হয়েছে, তাদের সমবেদনা জানাই।‘
প্রসঙ্গত, এই প্রাণঘাতী নাশকতার আবহে আইপিএলে গতকাল হায়দরাবাদ বনাম মুম্বই ম্যাচের আগে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। কোনও রকম জমকালো অনুষ্ঠান ছাড়াই খেলা শুরু হয়। ডিজের কারবার, আতশবাজির রোশনাই, চিয়ারলিডারদের নাচ—কিছুই অনুষ্ঠিত হয়নি।