
শেষ আপডেট: 28 February 2023 14:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোজনরসিক মানুষ মাত্রেই মিষ্টি খেতে ভালবাসেন। বাঙালির চিরাচরিত রসগোল্লা পান্তুয়া কিংবা সন্দেশ তো আছেই, মিষ্টিপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বিভিন্নরকম মিষ্টি। লাড্ডু কিংবা গুলাবজামুনের (Gulab Jamun) নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। তবে এই সমস্ত মিষ্টির একটির দামই এখন ন্যূনতম পাঁচ-সাত টাকা। শহরাঞ্চলে আজকাল ১০ টাকার কম দামের মিষ্টি পাওয়া যায় না বললেই চলে। কিন্তু ভাবুন তো, যদি এক কেজি গুলাবজামুন কিংবা লাড্ডু পাওয়া যেত ১০-১২টাকায়, তাহলে কেমন হত?
বিশ্বাস হচ্ছে না তো? নেটমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি দোকানের (Sweet shop) মিষ্টি এবং অন্যান্য স্ন্যাকসের দামের তালিকায় তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। সেখানে মতিচুর লাড্ডু, রসগোল্লা, গুলাবজামুন, ক্ষীরমোহনের মতো মিষ্টির দাম ঘোরাফেরা করছে কেজিপ্রতি ১০ টাকা থেকে ১৪ টাকার মধ্যে। চকলেট বরফি কিংবা পেস্তা বরফির দাম সামান্য বেশি, কেজিপ্রতি ১৮-২০ টাকা মতো।
দেখে তো হাঁ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। তবে আসল ব্যাপারটা হল, এই তালিকা আজকের নয়। ৪ দশকেরও বেশি সময় আগের মিষ্টির দামের তালিকা এটি। ভাইরাল পোস্ট থেকে জানা যাচ্ছে, সেটি জলন্ধর ক্যান্টনমেন্টের ১৭ হরদয়াল রোডে লাভলি সুইট হাউস (Lovely sweet house) নামের একটি দোকানের খাবারের দামের তালিকার ছবি। জলন্ধর সিটির নাকোদর রোডে আরও একটি শাখা রয়েছে দোকানটির।
পোস্টের ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, 'সাল ১৯৮০- বিখ্যাত লাভলি সুইটসের দামের তালিকা।'
ছবিতে আরও দেখা যাচ্ছে, সিঙাড়া, কচুরি, পনির পকোড়ার মতো স্ন্যাকসের দাম মাত্র ১ টাকা।
ছবিতে যদিও কোথাও সালের উল্লেখ নেই, কিন্তু ছবিটি দেখে নেটিজেনদের অনেকেই পুরনো কথা মনে করে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েছেন। মাত্র কয়েক দশক আগেও এত সস্তায় মিষ্টি পাওয়া যেত, ভেবেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তাঁরা। যদিও অনেকের আবার দাবি, সেই সময়ের নিরিখে এই দামও যথেষ্ট বেশি। একজন লিখেছেন, '১৯৮০ সালের নিরিখে এই দাম রীতিমতো বেশি। সেই সময় জিলিপি কিংবা সিঙাড়া ১৫ পয়সায় পাওয়া যেত।'
'সেই সময় দুধের দাম ছিল ৫০ পয়সা। এখন তো দুধের দামও অনেক বেশি, তাই না?' প্রশ্ন অন্য একজনের।
তৃতীয় একজনের মন্তব্য, 'পাঞ্জাবের সেরা মিষ্টির দোকানগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। জলন্ধরে থাকার সময় ১৯৯৬-২০০০ সালে প্রায়ই যেতাম এখানে।'
'আমার একটা টাইম মেশিন দরকার!' মন্তব্য চতুর্থ একজনের।
মণীশ ও সত্যেন্দ্র মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন, কেজরিওয়ালের কাছে পাঠালেন ইস্তফা