
টোঙ্গা দ্বীপ
শেষ আপডেট: 30 March 2025 21:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মায়ানমারের ভয়াবহ ভূমিকম্পে (Myanmar Earthquake) মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭০০। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। স্তূপাকৃত লাশ থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করেছে। এই আবহে জোরালো ভূমিকম্প দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গায় (Tonga Island)। রিখটার স্কেলে কম্পের মাত্রা ছিল ৭.১। যে কারণে গোটা দ্বীপ জুড়ে সুনামি (Sunami) সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
গত শুক্রবার মায়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭। তার রেশ কাটতে না কাটতেই, রবিবার আরও এক শক্তিশালী ভূমিকম্প টোঙ্গায়। জানা গিয়েছে এর উৎসস্থল প্রশান্ত মহাসাগরের নীচে। সাগরের নীচে কম্পন হলেই সুনামির একটা আশঙ্কা থাকে।
ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৫টা ৫০ মিনিট নাগাদ এই কম্পন হয় বলে জানিয়েছে আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনও হিসাব পাওয়া যায়নি।
সুনামির সতর্কতা করে জানানো হয়েছে নিউয়ে এবং টোঙ্গার উপকূলে ০.৩ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ ধেয়ে আসতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্রও জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ঢেউ উঠতে পারে বিপজ্জনক উচ্চতায়।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১৭০টিরও বেশি দ্বীপের সমষ্টি নিয়ে তৈরি টোঙ্গা। জনসংখ্যা লাখখানেক। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই টোঙ্গার মতো দ্বীপরাষ্ট্রগুলি ভূমিকম্পপ্রবণ। বস্তুত, এই দ্বীপগুলি প্রশান্ত মহাসাগরের 'রিং অফ ফায়ার'-এর মধ্যে পড়ে।