
পরিচালক সিদ্ধান্ত দাস
শেষ আপডেট: 1 May 2025 20:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঠাকুরপুকুর কাণ্ডে নয়া মোড়। এক পথচারীকে পিষে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া পরিচালক ভিক্টো ওরফে সিদ্ধান্ত দাসকে নিয়ে সামনে এল নয়া আপডেট। এর আগে আলিপুর আদালতের নির্দেশে ৩০ এপ্রিল অবধি জেল হেফাজত হয়েছিল ভিক্টোর। তা শেষ হতেই এবার তাঁকে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিল লালবাজার। এর আগে ভিক্টোর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে পুলিশ। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করল পুলিশ।
কিন্তু কেন? জেরায় ভিক্টো নিজেই স্বীকার করেছিলেন ৫ এপ্রিল 'সাবমেরিনে'র নেশায় ডুবে ছিলেন তিনি কী এই 'সাবমেরিন' নেশা? বিয়ারের সঙ্গে ভদকা মিশিয়ে যে পানীয় তৈরি হয় তার নামই সাবমেরিন পানীয়। বিয়ারের গ্লাসের মধ্যে ডুবিয়ে দেওয়া হয় ভদকার শটকে। ককটেল পানের সময় শট গ্লাসটি ক্রমশ উপরে উঠে আসে। এরকমই এক পানীয় খেয়েই দিন আর রাতের তফাত বুঝতে পারেননি ভিক্টো, দাবি করেছেন তিনি।
৬ এপ্রিল রবিবার মদ্যপ অবস্থাতেই গাড়ি চালিয়ে ঠাকুরপুকুর বাজারের রাস্তায় ঢুকে পড়েন তিনি। চা পানরত বৃদ্ধকে পিষে দেয় তাঁর গাড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীরা গাড়ি থামাতে বললেও কানে তোলেননি ওই পরিচালক। বৃদ্ধ পথচারীকে টেনেহিঁচড়ে প্রায় ৩০ মিটার রাস্তা নিয়ে যায় তাঁর গাড়ি। মৃত্যু হয় সেই ব্যক্তির। মদ্যপান করে গাড়ি চালালে দুর্ঘটনার জেরে যে কারও প্রাণহানি ঘটতে পারে, সেটা অজানা নয়। তা সত্ত্বেও সে দিন ওই কাজ করেন ভিক্টো। তাঁকে গাড়ি থামাতে বললেও তিনি থামাননি।
আর সেই কারণে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যক্তি আহতও হন। গাড়ির ধাক্কায় ক্ষতি হয় অস্থায়ী দোকানগুলিরও। সিসিটিভি ফুটেজেও তার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের। নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই ভিক্টোর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছেন পুলিশ। ঠিক কোন উদ্দেশে তিনি এই কাজ করলেন তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।