
ঢাকায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা বাহিনী
শেষ আপডেট: 23 July 2024 17:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি ঘোষণা মতো বাংলাদেশে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে। শুধু ঢাকাতেই ৫১৩ জনকে সোমবার রাত পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের আাদালতে তোলা হয়।
পুলিশের বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনে ধৃতরা মূলত সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস, পুলিশকে মারধরের মতো ঘটনায় যুক্ত ছিল।
আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে বিরোধী দল বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতা আছেন। তাঁদের অন্যতম দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের সভাপতি খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান এবং পার্টির ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরী। সোমবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে কোটা আন্দোলনের সমর্থনে দলকে পথে নামার পরামর্শ দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার তিনি গণহারে গ্রেফতারের নিন্দা করেছেন। তাঁর অভিযোগ কাল্পনিক অভিযোগে তাঁর দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে হাসিনা প্রশাসন। সরকারের অভিযোগ, বিএনপির সঙ্গে যোগ দিয়েছে জামাত-ই-ইসলামিও।
কোটা আন্দোলনের প্রধান সংগঠক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসেছে। তাঁরা শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, এমনকী তাঁকে দেশ ছাড়া করার ডাক দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু মঙ্গলবার আন্দোলনের সমন্বয়কারী তিন নেতা ঢাকায় নতুন যে চারদফা দাবি পত্র পেশ করেছে তাতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কথা নেই। তারা অবশ্য শীর্ষ স্থানীয় চার মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। ওই চার মন্ত্রী হলেন সেতু ও সড়ক, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা ও আইন মন্ত্রী। তাঁদের দাবি তদন্ত চলাকালে এই চার মন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
আন্দোলনকারীদের উপর হামলাকারী ছাত্র লিগ সমর্থকদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে বলেও দাবি জানিয়েছেন তিন সমম্বয়ক। চতুর্থ সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সুত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ওই চার মন্ত্রীকে মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করার পরামর্শ দিয়েছেন।