প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মহম্মদ ইউনুস তাঁকে একটি বই উপহার দেন। এই বইটি ঘিরেই বিতরকের সূত্রপাত। ভারতের একাধিক মিডিয়ায় দাবি করা হয় ওই বইটির প্রচ্ছদে থাকা বাংলাদেশের মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে সে দেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বইটির নাম আর্ট অফ ট্রায়াম্প বা বিজয়ের শিল্প।

শেষ আপডেট: 28 October 2025 15:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে সে দেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করল ঢাকা। ভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রটনা বলে বাংলাদেশ সরকারের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন।
সরকারিভাবে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের অফিস থেকে এই খবরের সত্যতা অস্বীকার করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে নির্দিষ্ট মানচিত্রটি সম্পর্কে এই অভিযোগ করা হচ্ছে তাতে আদৌ ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়নি। গোটাটাই রটনা। বিতর্কের সূত্রপাত একটি ছবিকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশ সফররত পাকিস্তানের এক সেনাকর্তার প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে গত সপ্তাহে ঢাকায় সাক্ষাৎ করেন। তিনি পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মহম্মদ ইউনুস তাঁকে একটি বই উপহার দেন। এই বইটি ঘিরেই বিতরকের সূত্রপাত। ভারতের একাধিক মিডিয়ায় দাবি করা হয় ওই বইটির প্রচ্ছদে থাকা বাংলাদেশের মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে সে দেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বইটির নাম আর্ট অফ ট্রায়াম্প বা বিজয়ের শিল্প।
বাংলাদেশ সরকারের তরফে বলা হয়েছে গত বছর গণঅভ্যুত্থান বা জুলাই আগস্ট বিপ্লবের সময় দেশ জুড়ে যে গ্রাফিতি আঁকা হয়েছিল বইটিতে তার কিছু নমুনা সংকলিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা একাধিক বিশ্ব নেতাকে ওই বই উপহার দিয়েছেন। তাদের অন্যতম হলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, রাষ্ট্র সংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ফলকার তুর্ক প্রমুখ। সেই বইয়ের একটি কপি তিনি পাকিস্তানের সেনাকর্তাকেও উপহার দিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের ব্যাখ্যা প্রচ্ছদে যে ম্যাপটি ছাপা হয়েছে সেটি খুঁটিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে সেখানে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের বাইরের কোনও অংশকে সংযুক্ত করা হয়নি।