
শেষ আপডেট: 9 November 2023 15:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধায়ক ও সাংসদদের বিরুদ্ধে থাকা অপরাধমূলক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিশেষ আদালত তৈরি হয়েছে বছর দশ হয়ে গেল। তাতেও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার নিষ্পত্তিতে গতি আসেনি। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এই ব্যাপারে নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্টের ভূমিকা স্পষ্ট করে দিল।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার বলছে, জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে থাকা অপরাধমূলক মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এ জন্য এমএলএ-এমপি কোর্টের পৃথক এজলাস গঠন করতে হবে।
একইভাবে হাইকোর্টগুলিতে প্রধান বিচারপতি অথবা তাঁর মনোনীত বিচারপতিকে দিতে পৃথক বেঞ্চ গঠন করতে হবে।
বিজেপির আইনজীবী সাংসদ অশ্বিনী উপাধ্যায় এই ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থের মামলা করেছিলেন। মনে করা হচ্ছে দলের নির্দেশেই অশ্বিনী এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় বলা হয়, দুর্নীতি সহ অপরাধের মামলাগুলির আদালতে নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ফলে অভিযুক্তরা জামিন পেয়ে যাচ্ছে। এতে জনসাধারণের কাছে আদালত সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলছে, হাইকোর্টকে এই ধরনের মামলায় নজরদারির ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতি মাসে নিম্ন আদালত এই সংক্রান্ত মামলাগুলির অগ্রগতি নিয়ে হাইকোর্টকে রিপোর্ট দেবে। হাইকোর্ট রিপোর্ট খতিয়ে দেখে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেবে।
দেশে বিধায়ক, সাংসদদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ অনেক। আছে খুন, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগও। আর দুর্নীতির অভিযোগ তো আছেই।
বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অনেকেই মনে করেন, এই বিষয়ে শীর্ষ আদালত তদন্তকারী সংস্থাগুলির কর্তব্য স্পষ্ট করে দিলে ভাল হত। দুর্নীতি-সহ অনেক মামলাতেই ইডি, সিবিআইয়ের মতো এজেন্সিগুলি চার্জশিট দিতে পারেনি। এই তালিকায় অন্যতম বাংলার সারদা এবং নারদ মামলা। একটিতেও তদন্তকারী সংস্থা চূড়ান্ত চার্জশিট দিতে পারেনি।