শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় জল ঢালতে যান লাখে লাখে কাঁওয়ার যাত্রী। তাঁদের যাত্রাপথের ধারে খাবারের দোকানগুলি নিয়ে সংশয় দূর করতে ক্রেতার অধিকারের সপক্ষে মঙ্গলবার সায় দিল সুপ্রিম কোর্ট।

কিউআর কোড মারফত নিরামিষ ভোজন করা পুণ্যার্থীরা জানতে পারবেন দোকান ও দোকানদারের নাম-পরিচয়ের ইতিবৃত্তান্ত।
শেষ আপডেট: 22 July 2025 18:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে খাবারের দোকানগুলি আগে আমিষ খাবার বিক্রি করত, তাদের রান্নার সামগ্রী, উপকরণ ও পদ্ধতি সম্পর্কে ক্রেতার জানার অধিকার আছে। শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় জল ঢালতে যান লাখে লাখে কাঁওয়ার যাত্রী। তাঁদের যাত্রাপথের ধারে খাবারের দোকানগুলি নিয়ে সংশয় দূর করতে ক্রেতার অধিকারের সপক্ষে মঙ্গলবার সায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বলেছে, ‘গ্রাহক হলেন রাজা’। ফলে, তাঁদের এটা জানার সম্পূর্ণ অধিকার আছে যে, কী ধরনের খাবার রেস্তরাঁগুলিতে বিক্রি হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং এনকে সিং মঙ্গলবার এই মত পোষণ করেন। বেঞ্চ বলেছে, কাঁওয়ার যাত্রাপথের দুধারের খাবারের দোকানগুলিকে লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন দেখতে পাওয়ার মতো অবস্থায় লাগিয়ে রাখতে হবে। খাবারের দোকানগুলিকে চোখের সামনে কিউআর কোড লাগিয়ে রাখতে হবে, এমন নির্দেশ দিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার।
সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে একটি আবেদন জমা পড়ে। কিউআর কোড মারফত নিরামিষ ভোজন করা পুণ্যার্থীরা জানতে পারবেন দোকান ও দোকানদারের নাম-পরিচয়ের ইতিবৃত্তান্ত। প্রসঙ্গত, গতবছর কাঁওয়ার যাত্রার সময় বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোকানদার ও হকারদের দোকানের বাইরে নাম লিখে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালত স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। কিন্তু, সেই স্থগিতাদেশ এড়াতে এবার কিউআর চালু করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার।
এদিন উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড সরকারের কিউআর কোড লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও নির্দেশ জারি করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট। এদিন কাঁওয়ার যাত্রার শেষদিন বলে বেঞ্চ আলাদা করে কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি। তবে বেঞ্চ বলেছে, যে দোকানগুলি আগে আমিষ খাবার বিক্রি করত, তারা যদি এখন নিরামিষ বিক্রি করে, তাহলে গ্রাহকদের অধিকার আছে তা জানার।