.webp)
পুণে পোর্শেকাণ্ডে গ্রেফতার ডঃ অজয় তাওয়ারে।
শেষ আপডেট: 27 May 2024 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুণের পোর্শেকাণ্ডে ২ সিনিয়র ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা গোপন করতে তাঁরা রক্তের নমুনা বদল করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। সরকারি হাসপাতাল সাসুন জেনারেল হাসপাতালের দুই প্রবীণ চিকিৎসক এই কাজ করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। যে আলালের ঘরের দুলাল প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মদে চুর হয়ে বেপরোয়া গতিতে বহুমূল্যের পোর্শে গাড়ির ধাক্কায় দুই যুবক-যুবতী ইঞ্জিনিয়ারের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল, তার রক্তের নমুনা বদল করা হয় বলে অভিযোগ।
পুলিশ যাঁদের গ্রেফতার করেছে তাঁদের নাম হল, ডঃ অজয় তাওয়ারে। তিনি হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান। অপরজন হলেন শ্রীহরি হারনুল। গত ১৯ মে বাইক আরোহী দুই তথ্যপ্রযুক্তি ইঞ্জিনিয়ারকে গাড়ির ধাক্কায় মেরে ফেলার পরদিন ওই তরুণকে সাসুন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়। বেলা ১১টার সময় তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন ডাক্তাররা।
পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার মেনে নিয়েছেন যে, রক্তের নমুনা অনেক দেরিতে সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সাসুন হাসপাতাল ওই নাবালকের রক্তের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট বদলে দিয়েছে। অন্য কারও রক্ত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। যাতে রক্তে অ্যালকোহলের উপস্থিতি টের না পাওয়া যায়।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, ১৯ মে তারিখেই বিকেলের পরে আরও একবার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেটা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার ২ দিন পর ঘরেবাইরে চাপের মুখে পড়ে পুলিশ ওই নাবালকের বিরুদ্ধে গাফিলতি, অনিচ্ছাকৃত খুন এবং মোটর ভেহিকেলস আইনে মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর অপরাধ সংযুক্ত করে এফআইআরে।
যদিও জুভেনাইল আদালতে সঙ্গে সঙ্গে জামিন পেয়ে যায় ওই নাবালক। কিন্তু, বিতর্কের ঝড় ওঠায় গত ২২ মে জুভেনাইল আদালত ফের তাকে পর্যবেক্ষণ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ইতিমধ্যেই ওই তরুণের ধনকুবের বাবা ও ঠাকুর্দাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাবা জেল হেফাজতে এবং ঠাকুর্দা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।